একাদশ শ্রেণি 🧿প্রথম সেমিস্টার সহায়ক
সাজেস্টিভ প্রশ্নোত্তর
একাদশ শ্রেণি – প্রথম সেমিস্টার | বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও বিশেষ প্রস্তুতিমূলক প্রশ্নোত্তর
পুঁইমাচা, বিড়াল, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, সাম্যবাদী, বিশাল ডানাওয়ালা এক থুরথুরে বুড়ো, চারণকবি এবং প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্য ও ভাষাবিজ্ঞান সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর।
১
পুঁইমাচা – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
১. ‘পুঁইমাচা’ গল্পটি কোন গল্পগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? – মৌরিফুল
২. ‘পুঁইমাচা’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? – প্রবাসী
৩. সহায়হরির স্ত্রীর নাম কী? – অন্নপূর্ণা
৪. ‘পুঁইমাচা’ গল্পের শুরুতে কোন কালের কথা রয়েছে? – শীতকাল
৫. সহায়হরির মনে ভীতির সঞ্চার হয়েছিল স্ত্রীর কোন সুরে? – শান্ত সুরে
৬. অন্নপূর্ণার মতে স্বামী সহায়হরি কোথায় ঘোরেন? – বাগদী দুলে পাড়ায়
৭. সহায়হরিকে কে একঘরে করতে চেয়েছিলেন? – কালীময় ঠাকুর
৮. ‘পুঁইমাচা’ গল্পে ক্ষেন্তির বয়স কত? – চোদ্দো
৯. সহায়হরির বড়ো মেয়ের নাম কী? – ক্ষেন্তি
১০. সহায়হরির মেজো মেয়ের নাম কী? – পুঁটি
১১. সহায়হরির ছোটো মেয়ের নাম কী? – রাধী
১২. ‘পুঁইমাচা’ গল্পটি কবে প্রকাশিত হয়? – ১৩৩১ বঙ্গাব্দে
১৩. ‘পুঁইমাচা’ গল্পে ক্ষেন্তির বাবার নাম কী? – সহায়হরি চ্যাটার্জী
১৪. ‘পুঁইমাচা’ গল্পে ক্ষেন্তির মায়ের নাম কী? – অন্নপূর্ণা
১৫. সহায়হরি উঠোনে পা দিয়ে তার স্ত্রীর কাছে কী চেয়েছিলেন? – একটা বড় বাটি কিংবা ঘটি
১৬. রসের জন্য খেজুর গাছ কেটেছিল কে? – তারক খুড়ো
১৭. ক্ষেন্তি কার কাছ থেকে পুঁই শাক নিয়ে এসেছিল? – রায় কাকা
১৮. ক্ষেন্তি চিংড়ি মাছ কিনে এনেছিল কার কাছ থেকে? – গয়া পিসি
১৯. ক্ষেন্তি পুঁইশাকের পাতায় জড়িয়ে কী এনেছিল? – চিংড়ি মাছ
২০. ক্ষেন্তির বিয়ে ঠিক হয়েছিল কার ছেলের সঙ্গে? – শ্রীমন্ত মজুমদার
২১. শ্রীমন্ত মজুমদারের ছেলের সঙ্গে ক্ষেন্তির বিয়ে ঠিক করে দিয়েছিলেন কে? – কালীময় ঠাকুর
২২. “ইহা যে ঝড়ের অব্যবহিত পূর্বের আকাশের স্থিরভাব মাত্র…”—এখানে কার কথা বলা হয়েছে? – সহায়হরি
২৩. অন্নপূর্ণার মতে সহায়হরি দিন কাটায় কীভাবে? – মাছ ধরে আর রস খেয়ে
২৪. “ইহাদের ভাব দেখিয়া মনে হইতেছিল ইহারা কাহারো ঘরে সিঁধ দিবার উদ্দেশ্যে চলিয়াছে।”—কারা? – সহায়হরি ও ক্ষেন্তি
২৫. “মেয়েমানুষের আবার অত নোলা কিসের!”—কে বলেছিল? – অন্নপূর্ণা
২৬. ক্ষেন্তির বিস্ময় ও আনন্দের কারণ কী ছিল? – চিংড়ি মাছ
২৭. “বরোজপোতার বনের মধ্যে বসে খানিক আগে কি করছিলে শুনি?”—অন্নপূর্ণা কাকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন? – সহায়হরিকে
২৮. “চুরি তো করবেই… আমি সব জানি।”—কে কাকে বলেছিলেন? – অন্নপূর্ণা সহায়হরিকে
২৯. “সে নাকি অধিক মিষ্টি খাইতে পারে না।”—কার কথা বলা হয়েছে? – পুঁটি
৩০. ক্ষেন্তি যে রোগে মারা যায়— – বসন্ত
৩১. ক্ষেন্তির বসন্ত হয়েছিল কোন মাসে? – ফাল্গুন
৩২. ক্ষেন্তির বিয়ের কত টাকা পণ বাকি ছিল? – ২৫০ টাকা
৩৩. “কিছুক্ষণ দু’জনের কোনো কথা শুনা গেল না।”—দু’জন কে কে? – সহায়হরি ও ক্ষেন্তি
৩৪. অন্নপূর্ণা গুজবের কথা কাদের বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করতে বলেছিল? – চৌধুরীদের
৩৫. সহায়হরিকে একঘরে করবার কথা যেখানে উঠেছিল— – চৌধুরীদের চণ্ডীমণ্ডপে
৩৬. “ও নাকি উচ্ছুগগু করা মেয়ে”—কার কথা বলা হয়েছে? – ক্ষেন্তি
৩৭. অন্নপূর্ণা কাকে পুঁইশাকগুলো ফেলে দিয়ে আসার কথা বলেছিল? – সহায়হরিকে
৩৮. ‘পুঁইমাচা’ গল্পটিকে যিনি ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসের বীজ বলেছেন— – সুকুমার সেন
৩৯. ক্ষেন্তিকে উচ্ছুগগু করা মেয়ে বলা হয়েছে কেন? – ছোটবেলায় ক্ষেন্তির গাছের সাথে বিয়ে হয়েছিল
৪০. ‘নোলা’ শব্দের অর্থ কী? – লোভ
৪১. সহায়হরি কত টাকা দিয়ে ক্ষেন্তির জন্য কালো জমাটি কিনেছিলেন? – আড়াই টাকা
৪২. “ক্ষেন্তি তৎক্ষণাৎ ঘাড় নাড়িয়া এই আনন্দজনক প্রস্তাব সমর্থন করিল।”—প্রস্তাবটি কী ছিল? – আরও তরকারি নেওয়া
৪৩. মুখুয্যে বাড়ির ছোট খুকি দুর্গা অন্নপূর্ণাকে কেন ডাকতে এসেছিল? – তাদের বাড়িতে নবান্ন মেখে ইতুর ঘটগুলি বার করে দিতে
৪৪. অন্নপূর্ণা যে কারণে প্রথমে ক্ষেন্তিকে নারকেল কুরতে দিতে রাজি ছিল না— – ক্ষেন্তির জামা কাপড় শাস্ত্রসম্মত ও শুচি নয়
৪৫. “দিদি বড় ভালোবাসت।”—কী ভালোবাসার কথা বলা হয়েছে? – পিঠে
৪৬. সহায়হরির ছেলেমেয়েরা কাকে অত্যন্ত ভয় করিত? – মাকে
৪৭. বেহারারা বরের পালকি কোথায় নামিয়েছিল? – আমলকিতলায়
৪৮. সহায়হরি মেয়েকে শশুরবাড়িতে কোন মাসে দেখতে গিয়েছিল? – পৌষ
৪৯. কার নামে নীলকুঠির আমলে “বাঘে গরুতে এক ঘাটে জল খেত”? – পরমেশ্বর চাটুজ্যে
৫০. “অন্নপূর্ণার মন হু হু করিত।”—কখন? – ফাল্গুন-চৈত্র মাসে বিকেলবেলা আমসত্ত্ব তোলার সময়
২
বিড়াল – বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
১. ‘বিড়াল’ প্রবন্ধটি কোন গল্পগ্রন্থ বা প্রবন্ধগ্রন্থ থেকে নেওয়া হয়েছে? – কমলাকান্তের দপ্তর
২. “আমি যদি নেপোলিয়ন্ হইতাম”—নেপোলিয়ন্ কে ছিলেন? – ফরাসি সম্রাট
৩. ওয়াটার্লু যুদ্ধ হয়েছিল কত খ্রিস্টাব্দে? – ১৮১৫ খ্রিস্টাব্দে
৪. ওয়াটার্লু যুদ্ধে জয়ী হয়েছিলেন কে? – ডিউক অব ওয়েলিংটন
৫. “প্রথমে মনে হইল, ________ হঠাৎ বিড়ালত্ব প্রাপ্ত হইয়া…”—শূন্যস্থানে কে বসবে? – প্রসন্ন
৬. “অপরিমিত লোভ ভালো নহে”—কাকে উদ্দেশ্য করে বলা হয়েছে? – বিড়াল
৭. “কেহ মরে বিল ছেঁচে, কেহ খায় কই”—ভাবনাটি কার? – বিড়াল
৮. দুধ কে দুহিয়াছে এবং কার দুধ? – দুহিয়াছে প্রসন্ন, দুধ মঙ্গলার
৯. “তবে চিরাগত একটি প্রথা আছে।”—প্রথাটি কী? – বিড়ালে দুধ খেলে তাকে মারতে হয়
১০. “এই মার্জ্জারী যদি স্বজাতিমণ্ডলে কমলাকান্তকে _______বলিয়া উপহাস করে?”—শূন্যস্থানে বসবে? – কুলাঙ্গার
১১. “তখন _______ প্রাপ্ত হইয়া, মার্জ্জারের বক্তব্যসকল বুঝিতে পারিলাম।”—শূন্যস্থানে বসবে? – দিব্যকর্ণ
১২. “পরোপকারই পরম ধর্ম।”—উক্তিটি কার? – বিড়ালের
১৩. “চোর দোষী বটে, কিন্তু কৃপণ ধনী তদপেক্ষা শতগুণে দোষী।”—কে কার উদ্দেশ্যে বলেছেন? – বিড়াল কমলাকান্তের উদ্দেশ্যে
১৪. “চোরের দণ্ড হয়; চুরির মূল যে _______, তাহার দণ্ড হয় না কেন?”—শূন্যস্থানে বসবে? – কৃপণ
১৫. “যে কখন অন্ধকে মুষ্টি-ভিক্ষা দেয় না, সেও একটা ________, ফাঁপরে পড়িলে রাত্রে ঘুমায় না।”—শূন্যস্থানে বসবে? – বড় রাজা
১৬. “তেলা মাথায় তেল দেওয়া মনুষ্যজাতির ________”—শূন্যস্থানে বসবে? – রোগ
১৭. “এ পৃথিবীর ______________ আমাদের কিছু অধিকার আছে।”—শূন্যস্থানে বসবে? – সকল আহারে
১৮. “তুমি কমলাকান্ত, দূরদর্শী”—কারণ কী? – আফিংখোর
১৯. “ ________ দোষেই দরিদ্র চোর হয়”—শূন্যস্থানে বসবে? – ধনীর
২০. “তোমার কথাগুলি ভারি সোশিয়ালিস্টিক্”—বক্তা কে? – কমলাকান্ত
২১. কমলাকান্ত যদি তিন দিন উপবাস করে তবে কার ভাণ্ডারঘরে ধরা পড়বে? – নসীরাম বাবুর
২২. “এ সকল অতি নীতিবিরুদ্ধ কথা, ইহার আন্দোলনেও পাপ আছে।”—বক্তা কে? – কমলাকান্ত
২৩. “তুমি যদি চাহ তবে পাঠার্থে তোমাকে আমি নিউমান ও পার্কারের গ্রন্থ দিতে পারি।”—নিউমান ও পার্কার কারা? – ধর্মতত্ত্ববিদ
২৪. বিড়াল ‘কমলাকান্তের দপ্তর’ পড়লে কী বুঝতে পারবে? – আফিঙ্গের অসীম মহিমা
২৫. “জলযোগের সময় আসিও, উভয়ে ভাগ করিয়া খাইব।”—কী খাওয়ার কথা বলা হয়েছে? – ছানা
২৬. “কমলাকান্তের বড় আনন্দ হইল!”—আনন্দের কারণ কী? – বিড়ালটি কমলাকান্তের কথায় রাজি হওয়ার জন্য
২৭. ‘বিড়াল’ প্রবন্ধটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল? – বঙ্গদর্শন পত্রিকা
২৮. কমলাকান্তের পদবী কী? – চক্রবর্তী
২৯. খিদেতে অধীর হলে বিড়ালকে কমলাকান্ত কী দিবে বলেছিল? – আফিং
৩
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর – মাইকেল মধুসূদন দত্ত
১. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটির মূলগ্রন্থের নাম কী? – চতুর্দশপদী কবিতাবলী
২. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি কোন ধরনের কবিতা? – সনেট
৩. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’র কততম সনেট? – ৮৬ তম
৪. “বিদ্যার সাগর তুমি বিখ্যাত।” – শূন্যস্থানে কী বসবে? – ভূ-ভারতে
৫. ‘দীনের বন্ধু’ বলে কাকে সম্বোধন করা হয়েছে? – বিদ্যাসাগর
৬. “হেমাদ্রির হেম-কান্তি ________ কিরণে।” – শূন্যস্থানে কী বসবে? – সুবর্ণ
৭. “যে জন আশ্রয় লয় ______ চরণে” – শূন্যস্থানে কী বসবে? – সুবর্ণ
৮. বিদ্যাসাগরকে কার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে? – হিমালয়
৯. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ সনেটে ‘গিরীশ’ শব্দের অর্থ কী? – হিমালয়
১০. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ সনেটে ‘বিমলা কিঙ্করী’ কাকে বলা হয়েছে? – নদী
১১. “দানে বারি নদীরূপ _____ কিঙ্করী।” – শূন্যস্থানে কী বসবে? – বিমলা
১২. “যোগায় অমৃত ফল পরম আদরে” – কে ‘অমৃত ফল’ যোগায়? – দীর্ঘ-শিরঃ তরু-দল
১৩. “করুণার সিন্ধু তুমি” – ‘করুণার সিন্ধু’ কে? – বিদ্যাসাগর
১৪. “নিশায় সুশান্ত নিদ্রা, ক্লান্তি দূর করে।” – কার কথা বলা হয়েছে? – দীর্ঘ-শিরঃ তরু-দল
১৫. “শীতলশ্বাসী ছায়া, বনেশ্বরী,” – শূন্যস্থানে কী বসবে? – দিবসে
১৬. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটির প্রথম আটটি পঙ্ক্তির অন্ত্যমিল-বিন্যাস কীরূপ? – কখ কখ কখ কখ
১৭. ‘ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর’ কবিতাটি কোন ছন্দে লেখা? – অমিত্রাক্ষর ছন্দে
১৮. “করুণার সিধু তুমি, সেই জানে মনে,” – কে জানে? – যে দীন
৪
সাম্যবাদী – কাজী নজরুল ইসলাম
১. ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়? – লাঙল
২. ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি প্রথম কবে প্রকাশিত হয়? – ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে
৩. ‘সাম্যবাদী’ কবিতাটি প্রথমে কোন কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়? – সাম্যবাদী
৪. কনফুসিয়াস কে ছিলেন? – চৈনিক দার্শনিক
৫. জরাথুস্ট্র প্রণীত পারসিকদের ধর্মগ্রন্থের নাম কী? – জেন্দাবেস্তা
৬. শিখদের সুবৃহৎ ধর্মগ্রন্থের নাম কী? – গ্রন্থসাহেব
৭. সব শাস্ত্রের জ্ঞানের কথার খোঁজ কোথায় পাওয়া যাবে? – নিজের প্রাণে
৮. মানুষ দেবতা-ঠাকুরকে কোথায় খোঁজে? – মৃত-পুথি-কঙ্কালে
৯. ‘সাম্যবাদী’ কবিতা অনুসারে মহা-গীতা কে গাইছেন? – বাঁশির কিশোর
১০. সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ মন্দির ও কাবা কোনটি? – মানুষের হৃদয়
১১. সকলকালের জ্ঞান কোথায় আছে? – মানুষের মধ্যে
১২. কনফুসিয়াস কোন দেশের দার্শনিক ছিলেন? – চীন দেশের
১৩. চার্বাক কার প্রচারক ছিলেন? – নাস্তিক্যবাদের
১৪. বেদ কোন ভাষায় রচিত? – ছান্দস ভাষায়
১৫. “এইখানে বসে গাহিলেন তিনি কোরআনের সাম গান”—এখানে তিনি কে? – আরব-দুলাল
১৬. “এইখানে বসে ___________ পেল সত্যের পরিচয়।”—শূন্যস্থানে কে বসবে? – ঈসা মুসা
১৭. “এই রণভূমে বাঁশির কিশোর গাহিলেন”—কী গাহিলেন? – মহাগীতা
১৮. “এইখানে বসে লুটাইয়া পড়ে সকল __________”—শূন্যস্থানে কী বসবে? – রাজমুকুট
১৯. ‘খুঁজে পাবে সখা!’—কী খুঁজে পাবার কথা বলা হয়েছে? – সকল ধর্মের মানে
২০. ‘মানবের মহা-বেদনার ডাক’ শুনে কে রাজ্য পরিত্যাগ করেন? – গৌতম বুদ্ধ
২১. “এই কন্দরে আরব-দুলাল শুনিতেন আহ্বান”—এখানে আরব-দুলাল কে? – হজরত মহম্মদ
৫
বিশাল ডানাওয়ালা এক থুরথুরে বুড়ো – গাবরিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ
১. ‘বিশাল ডানাওয়ালা এক থুরথুরে বুড়ো’ গল্পটি একটি— জাদুবাস্তবতার গল্প
২. ‘বিশাল ডানাওয়ালা এক থুরথুরে বুড়ো’ গল্পটিকে বাংলায় অনুবাদ করেন— মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
৩. ডানাওয়ালা বুড়ো লোকটা খেত— ন্যাপথলিন
৪. থুরথুরে বুড়োর একমাত্র অতিপ্রাকৃত শক্তি ছিল— ধৈর্য
৫. দেবদূতের উড়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখে এলিসেন্দার অনুভূতি হয়েছিল— এলিসেন্দা স্বস্তি বোধ করে, উদাসও হয়
৬. পেলাইওর নবজাত শিশুটি প্রবল কষ্ট পেয়েছিল— জ্বরে
৭. সহজ সরল গোছের মানুষেরা ডানাওয়ালা বুড়ো লোকটাকে বানাতে চেয়েছিলেন— রাজা
৮. পাদ্রে গোনসাগা যাজক হওয়ার আগে কী ছিলেন?— হট্টাকট্টা কাঠুরে
৯. দেবদূতকে দেখার জন্য এলিসেন্দা দর্শনী হিসেবে কত অর্থ ধার্য করেছিল?— পাঁচ সেন্ট
১০. দেবদূত কোন রোগে আক্রান্ত হয়েছিল?— জল বসন্ত
১১. দেবদূতের ডানায় মস্ত কতকগুলি পালক গজিয়েছিল কখন?— ডিসেম্বরের গোড়ায়
১২. ‘আঁতকে জেগে উঠেছিল সে তখন’—তাঁর আঁতকে জেগে ওঠার কারণ— লোকেরা তার পাশটা পুড়িয়ে দিয়েছিল তপ্ত লোহায়
১৩. মরা কাঁকড়াগুলোকে পেলাইও সমুদ্রে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল কারণ— ওর ধারণা কাঁকড়া পচা গন্ধে ওর নবজাত শিশুর জ্বর হয়েছিল
১৪. পেলাইও আর এলিসেন্দা এই সিদ্ধান্তে পৌঁছল যে থুরথুরে বুড়ো কোনো ভিনদেশী জাহাজের নিঃসঙ্গ ভরাডুবি নাবিক, কারণ— বুড়োর খালাসিদের মতো গলা ফাটিয়ে দুর্বোধ্য ভাষায় কথা বলা
১৫. ওদের পড়োশিনীর মতে বুড়ো ‘দেবদূত’ ওদের শিশুটিকে নিয়ে যেতে পারেনি, কারণ— সে বৃষ্টির তোড়ে নাজেহাল হয়ে গিয়েছিল
১৬. পরদিন ওরা ঠিক করল যে দেবদূতকে একটা ভেলায় খাবার আর জল দিয়ে বারদরিয়ায় ছেড়ে দেবে, কারণ— তাদের সন্তানের জ্বর সেরে যাওয়ায় তাঁরা খুশি হয়েছিল
১৭. পাদ্রে গোনসাগা সন্দেহ করলেন সে বুড়ো আসলে এক জোচ্চোর, ফেরেব্বাজ, কারণ— বুড়ো ঈশ্বরের ভাষা অর্থাৎ লাতিন বোঝে না
১৮. “পৃথিবীকে কাঁপিয়ে দিচ্ছিল যে জাহাজডুবির বিশৃঙ্খলা, তার মধ্যে পেলাইও আর এলিসেন্দা অবশ্য তাদের ক্লান্তিতেই সুখী”—কারণ— ভিড় করে আসা জনতার প্রণামীতে তাদের ঘর ঠেসে গিয়েছিল
১৯. ‘সেই দুঃস্বপ্ন দেখে আঁতকে উঠে’—কে আঁতকে উঠেছিল?— পেলাইও
২০. ‘এইভাবেই পাদ্রে গোনসাগা তাঁর অনিদ্রা রোগ থেকে চিরকালের মতো রেহাই পেয়ে গেলেন’ কারণ— মাকড়সা-কন্যার আবির্ভাবে ‘দেবদূত’কে নিয়ে লোকজনের আগ্রহ একেবারে চলে গেলে পাদ্রে গোনসাগার দুশ্চিন্তা দূর হল
২১. ‘দেবদূত এখন এখানে-সেখানে ঘুরে বেড়ায়।’ কারণ— রোদে বৃষ্টিতে মুরগির খাঁচা পুরো ভেঙে পড়েছিল
২২. একদিন সকালে এলিসেন্দা যখন পেঁয়াজকলির গুচ্ছ কাটছে, তখন আচমকা মনে হল হঠাৎ যেন দূর বারদরিয়ার এক ঝলক হাওয়া এসে ঢুকেছে রান্নাঘরে… কারণ— এলিসেন্দা দেখল দেবদূত তার ডানা ছড়িয়ে ওড়ার চেষ্টা করছে
২৩. কে কখন দেবদূতকে প্রথম দেখেছিল?— দুপুরবেলা পেলাইও
২৪. ওরা কীভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছল যে থুরথুরে বুড়ো মানুষটি কোনো নিঃসঙ্গ নাবিক?— তার খালাসিদের মতে রিনরিনে গলা শুনে
২৫. বুড়োকে ভেলায় করে বারদরিয়ায় ছেড়ে দিয়ে আসার কথা ভেবেও কেন তা করতে পারলো না পেলাইও ও এলিসেন্দা?— পুরো পাড়া মুরগির খাঁচার সামনে জড়ো হয়ে দেবদূতকে নিয়ে তামাশা করেছিল
২৬. থুরথুরে বুড়োকে দিয়ে যদি পৃথিবীতে কোনো ডানাওয়ালা জাতির জন্ম দেওয়ানো যায় তবে সে জাতি হবে জ্ঞানে-গুণে সবার সেরা—একথা কে ভেবেছিল?— কিছু কিছু দূরদর্শী
২৭. “সে আবার জীবনমৃত্যুর সব গলিঘুঁজিরই হদিস রাখে”—এখানে কার কথা বলা হয়েছে?— ডানাওয়ালা বুড়ো
২৮. পাদ্রে গোনসাগা কী বিষয়ে কৌতূহলীদের সাবধান করেছেন?— সাদাসিধে লোক হওয়ার ঝুঁকি কতটা
২৯. বুড়োকে কী খেতে দেওয়া হয়েছিল?— ফলের খোসা ও ছোটো হাজরির উচ্ছিষ্ট
৩০. পাদ্রে গোনসাগা কাকে কেন চিঠি লিখবেন বলে জানালেন?— আর্চ-বিশপকে, বুড়ো দেবদূত কিনা সেই বিষয়ে সন্দেহ নিরসনের জন্য
৩১. ভ্রাম্যমাণ প্রদর্শনীর মেয়েটি মাকড়সা হল কীভাবে?— বাবা-মার কথার অবাধ্য হয়ে
৩২. এলিসেন্দা কেন বলেছিল, ‘দেবদূতে থৈ-থৈ করা কোনো নরকে বাস করা কী যে জঘন্য কাণ্ড’?— কারণ পড়শিরা বুড়োকে নিয়ে তামাশা করত
৩৩. বৃদ্ধ ডানাওয়ালা মানুষটিকে পেলাইও বন্দি রেখেছিল— মুরগির খাঁচায়
৩৪. ‘পাদ্রে গোনসাগা এসে হাজির’— সকাল সাতটার আগে
৩৫. পাদ্রে গোনসাগা খাঁচার মধ্যে ঢুকে বৃদ্ধ ডানাওয়ালা লোকটিকে যে ভাষায় সুপ্রভাত জানিয়েছিলেন— লাতিন
৩৬. “ন্যাপথলিন নাকি দেবদূতের খাদ্য হিসেবে বিধানবিধিত”—কথাটি সত্য— পরমজ্ঞানী পড়োশিনির প্রজ্ঞা অনুযায়ী
৩৭. “এ-যে এক জোচ্চোর ফেরেব্বাজ” এ-বিষয়ে যাজনপল্লির পুরোহিতের মনে সন্দেহ দানা বাধার প্রথম ও প্রধান কারণ— এ ঈশ্বরের ভাষাই বোঝে না
৩৮. দেবদূত এখন এখানে-সেখানে ঘুরে বেড়ায়— পথহারা দিকভোলা কোনো মুমূর্যের মতো
৩৯. বিবৃতি ও কারণ থেকে সঠিক বিকল্পটি নির্ণয় কর: বিবৃতি A – নিশ্চয়ই বাচ্চাকে নিয়ে যেতে আসছিল। কারণ R – এ যে এক দেবদূত। — বিবৃতি [A] ও কারণ [R] উভয়েই সত্য কিন্তু কারণ [R] হল বিবৃতি [A]-এর সঠিক ব্যাখ্যা নয়
৪০. বুড়োকে বারদরিয়ায় ছেড়ে আসা হবে— ভেলায় চাপিয়ে
৪১. সত্য মিথ্যা থেকে সঠিক বিকল্পটি নির্ণয় কর: i) অনিদ্রাগ্রস্ত রোগীটি ছিল একজন নরওয়েবাসী (মিথ্যা) ii) এক কুষ্ঠরোগীর ঘা গুলো থেকে গজিয়েছিল সূর্যমুখী ফুল (সত্য) iii) মেলার প্রদর্শনীর মাকড়সা মেয়েটির একমাত্র খাদ্য ছিল মাংসের বড়া (সত্য) iv) যার তিনটি নতুন রাত গজিয়েছিল সে হলো একজন পঙ্গু (মিথ্যা) — মিথ্যা, সত্য, সত্য, মিথ্যা
৪২. অপেক্ষাকৃত কঠিন হৃদয়ের ব্যক্তিটি দেবদূতের ভবিষ্যৎ সম্বন্ধে যা ভেবেছিল— ডানাওয়ালা জাতির জন্ম দেওয়ানো যাবে
৪৩. “সে এক ভয়ংকর তারানতুলা, একটা মস্ত ভেড়ার মতো বড়ো, আর তার মাথাটা এক-” — বিষাদমুখর কুমারী মেয়ের
৪৪. “একমাত্র তাই তাকে অ্যাদ্দিন ধরে বাঁচিয়ে রেখেছে”—কাকে, কী বাঁচিয়েছে এতদিন?— মাকড়শা-মেয়েকে, মাংসের বড়া
৪৫. ‘এই যে এক দেবদূত’… ‘নিশ্চয়ই বাচ্চাকে নিয়ে যেতে আসছিল’ – এ কথা বলেছিল— পড়োশিনি
৪৬. “যেন সে আদপেই কোনো অতিপ্রাকৃত জীব নয়-বরং যেন সে এক সার্কাসের জন্তু।” – পেলাইও-র এমন ভাবার কারণ— আগত মানুষদের খাবার ছুড়ে দেওয়া
৪৭. “গুনতে গুনতে এখন সে সব সংখ্যাই শেষ করে ফেলেছে;” – ‘সে’ বলতে বোঝানো হয়েছে— আজন্ম বুকের ধুকপুক গোনা এক মেয়ে
৪৮. ক স্তম্ভের সঙ্গে খ স্তম্ভ মিলিয়ে সঠিক বিকল্প: জন্ম থেকেই যে গুনে যাচ্ছিল তার বুকের ধুকপুক (এক বেচারি মেয়ে); কিছুতেই যে কখনো ঘুমোতে পারে না (এক পোর্তুগিজ); একটি লটারি প্রাইজ দিতে যাচ্ছিল (এক পঙ্গু বেচারি); তিনটে নতুন দাঁত গজিয়ে গিয়েছিল (এক অন্ধ আতুর)। সঠিক বিকল্প হলো— i) d), ii) c), iii) a), iv) b)
৪৯. শূন্যস্থান পূরণ করো: __________ থেকেই সারা জগৎ কেমন বিষণ্ণ হয়ে আছে। — মঙ্গলবার
৫০. “একই সঙ্গে দুজনকেই পেরে ফেলল জলবসন্ত” – এখানে দুজন হল— পেলাইও ও এলিসেন্দার বাচ্চা ছেলেটি এবং দেবদূত
৬
চারণকবি – ভারভারা রাও
১. ভারভারা রাও মূলত কোন ভাষার কবি? – তেলুগু
২. ‘চারণকবি’ কবিতাটি বাংলায় তরজমা করেন কে? – শঙ্খ ঘোষ
৩. ‘চারণকবি’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত? – ভবিষ্যথু চিত্রপটম
৪. শঙ্খ ঘোষ অনূদিত ‘চারণকবি’ কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল? – সেতুবন্ধন
৫. কবিকে ওরা ভয় পায়, কখন? – গান যখন যুদ্ধের শস্ত্র হয়ে ওঠে
৬. ‘চারণকবি’ কবিতায় কোন জিনিস লোপাট হওয়ার কথা বলা হয়েছে? – আইনকানুন
৭. “আর সময়ের ঢেউ-তোলা কালো মেঘের দল”—মেঘের দল কী করছে? – ফাঁস লাগাচ্ছে গলায়
৮. “চুইয়ে পড়ছে না কোনো…”—কী চুঁইয়ে পড়ছে না? – রক্ত
৯. কীভাবে বিদ্যুৎ বাজ হয়ে উঠছে? – ঘূর্ণিপাকে
১০. ঝিরঝিরে বৃষ্টি কীসে পরিণত হয়েছে? – প্রলয়ঝড়ে
১১. “জেলের গরাদ থেকে বেরিয়ে আসছে/কবির কোনো লিপিকার স্বর”—কী বুকে নিয়ে? – মায়ের বেদনাশ্রু
১২. “মায়ের বেদনাশ্রু বুকে নিয়ে…”—এখানে ‘মা’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে? – স্বদেশভূমি
১৩. ভারসাম্য রক্ষার্থে মাটিতে কী মিশে যাচ্ছে? – ফাঁসির মঞ্চ
১৪. “যখন কাঁপন লাগে…”—কোথায় কাঁপন লাগে? – জিভে
১৫. ফাঁসির মঞ্চ ‘মিলিয়ে যাচ্ছে মাটিতে’—উদ্ধৃতাংশের মধ্য দিয়ে কী বোঝানো হয়েছে? – অত্যাচারের অবসান
১৬. “তখন ভয় পায় ওরা”—কাকে ভয় পায়? – কবিকে
১৭. “আর তুচ্ছ ফাঁসুড়েকে দিচ্ছে ঝুলিয়ে” কারণ— ফাঁসির মঞ্চ ভারসাম্য রাখবার জন্য
১৮. “স্পর্ধা জানাচ্ছে ________ / আর _________ ফাঁসুড়েকে / দিচ্ছে ঝুলিয়ে”—শূন্যস্থানে কী বসবে? – মৃত্যুকে, তুচ্ছ
১৯. “ঘূর্ণিপাকে বিদ্যুৎ হয়ে উঠছে বাজ”—এটি কবিতার কত নম্বর পঙক্তির ভাব? – ক্রমবিন্যাস অনুযায়ী দ্বিতীয় ধাপ
২০. ঝিরঝিরে বৃষ্টিও হয়ে উঠছে প্রলয়ঝড়—এর সঙ্গে খ-স্তম্ভের কোন অংশটি যুক্ত? – প্রলয় ঝড়
৭
বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি এবং প্রাচীন ও মধ্যযুগের সমাজ ও সাহিত্য
১. বাংলা ভাষার আদি নিদর্শন কোনটি? – চর্যাপদ
২. চর্যাপদ কে আবিষ্কার করেন? – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
৩. চর্যাপদের পুথি আবিষ্কৃত হয়েছিল কত সালে? – ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে
৪. চর্যাপদে কতজন কবির নাম পাওয়া যায়? – ২৪ জন
৫. চর্যাপদের টীকা সংস্কৃত ভাষায় লিখেছিলেন কে? – মুনিদত্ত
৬. চর্যাপদের ভাষাকে কী বলা হয়? – সন্ধ্যাভাষা
৭. চর্যাপদের পুথি কত সালে প্রকাশিত হয়েছিল? – ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে
৮. সবচেয়ে বেশি চর্যাপদ পাওয়া গেছে কোন কবির? – কাহ্ন পাদ
৯. যে ছন্দে চর্যাপদের কবিতাগুলি লেখা হয়েছিল— – মাত্রাবৃত্ত
১০. বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে যে নামে চর্যাপদ প্রকাশিত হয়েছিল— – হাজার বছরের পুরান বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধ গান ও দোহা
১১. চর্যাপদ গ্রন্থাকারে প্রকাশের সময় এর পদের সংখ্যা ছিল— – সাড়ে ছেচল্লিশটি
১২. তিব্বতি ভাষায় চর্যাপদের গানের সংখ্যা— – একান্নটি
১৩. চর্যাগীতির তিব্বতি অনুবাদের টীকা আবিষ্কার করেন কে? – প্রবোধচন্দ্র বাগচী
১৪. চর্যাপদের পদগুলি যে শতাব্দীর মধ্যে রচিত হয়েছিল— – দশম থেকে দ্বাদশ শতাব্দীর মধ্যে
১৫. চর্যাপদে কাহ্নপাদের পদসংখ্যা ছিল— – বারোটি
১৬. চর্যাপদে ভুসুকুপাদের পদসংখ্যা কত? – আটটি
১৭. ‘The Origin and Development of Bengali Language’ বইটির লেখক হলেন— – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
১৮. চর্যাপদে যে ধর্ম প্রকাশিত হয়েছিল— – বৌদ্ধধর্ম
১৯. “উঁচা উঁচা পাবত তঁহি বসই সবরী বালী”— পদটির রচয়িতা কে? – শবর পাদ
২০. “টালত মোর ঘর নাহি পড়বেষী হাড়ীত ভাত নাহি নিতি আবেশী”— পদটির রচয়িতা কে? – ঢেণ্ঢণ পাদ
২১. বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ত্রয়োদশ–চতুর্দশ শতাব্দীকে বলা হয়— – অন্ধকারময় যুগ
২২. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি কত সালে আবিষ্কৃত হয়? – ১৯০৯ সালে
২৩. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের প্রকাশকাল কত? – ১৯১৬ সালে
২৪. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য কোথা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়? – বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ
২৫. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি যার সম্পাদনায় প্রথম প্রকাশিত হয়— – বসন্তরঞ্জন রায়
২৬. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের খণ্ড সংখ্যা কত? – ১৩টি
২৭. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যে সবচেয়ে কম পদ আছে কোন খণ্ডে? – হার খণ্ড
২৮. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যে যে চিরকুট পাওয়া গেছে তাতে কী নাম ছিল? – শ্রীকৃষ্ণসন্দর্ভ
২৯. রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের রচনাকাল কত? – পঞ্চদশ শতাব্দী
৩০. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য নামটি কে দিয়েছিলেন? – বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
৩১. ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের বৃহত্তম খণ্ডের নাম কী? – দান খণ্ড
৩২. কৃত্তিবাসী রামায়ণ প্রথম যেখান থেকে মুদ্রিত ও প্রকাশিত হয়েছিল— – শ্রীরামপুর মিশন
৩৩. অনুবাদ সাহিত্যের আদি কবি হলেন— – কৃত্তিবাস ওঝা
৩৪. কৃত্তিবাস ওঝা কোন শতকের কবি? – পঞ্চদশ
৩৫. কবি কৃত্তিবাস ওঝা জন্মগ্রহণ করেন— – ফুলিয়া গ্রামে
৩৬. সন–তারিখযুক্ত প্রথম বাংলা কাব্য— – শ্রীকৃষ্ণবিজয়
৩৭. ‘শ্রীকৃষ্ণবিজয়’ গ্রন্থটির রচয়িতা— – মালাধর বসু
৩৮. মালাধর বসু ভাগবতের যে স্কন্ধের অনুবাদ করেন— – দশম–একাদশ
৩৯. ‘গুণরাজ খাঁ’ এই উপাধিটি কার? – মালাধর বসু
৪০. ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করেছেন— – বিদ্যাপতি
৪১. জয়দেব-এর রচিত গ্রন্থ— – গীতগোবিন্দ
৪২. বিদ্যাপতি-র রচিত গ্রন্থ— – কীর্তিলতা
৪৩. গোবিন্দ দাস-এর রচিত গ্রন্থ— – সঙ্গীতমাধব
৪৪. রূপ গোস্বামী-র রচিত গ্রন্থ— – উজ্জ্বলনীলমণি
৪৫. চণ্ডীদাস কোন পর্যায়ের শ্রেষ্ঠ পদকর্তা? – পূর্বরাগ
৪৬. ‘অভিনব জয়দেব’ কোন কবিকে বলা হয়? – বিদ্যাপতি
৪৭. চৈতন্য পূর্ববর্তী যুগের একজন বৈষ্ণব কবি হলেন— – চণ্ডীদাস
৪৮. চণ্ডীদাসের ভাবশিষ্য হলেন— – জ্ঞানদাস
৪৯. ‘মৈথিল কোকিল’ কোন কবিকে বলা হয়? – বিদ্যাপতি
৫০. চৈতন্য জীবনী সাহিত্যের আদি গ্রন্থ কোনটি? – চৈতন্যভাগবত
৫১. বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম চৈতন্য জীবনীগ্রন্থ— – চৈতন্যভাগবত
৫২. কৃষ্ণদাস কবিরাজ রচিত চৈতন্য জীবনীগ্রন্থটির নাম— – চৈতন্যচরিতামৃত
৫৩. ‘চৈতন্যলীলার ব্যাস’ কাকে বলা হয়? – বৃন্দাবনদাস
৫৪. বৃন্দাবন দাস-এর গ্রন্থ— – চৈতন্যভাগবত
৫৫. কৃষ্ণদাস কবিরাজ-এর গ্রন্থ— – চৈতন্যচরিতামৃত
৫৬. লোচন দাস-এর গ্রন্থ— – চৈতন্যমঙ্গল
৫৭. মুরারি গুপ্ত-এর গ্রন্থ— – শ্রীকৃষ্ণচৈতন্যচরিতামৃতম্
৫৮. বিজয়গুপ্ত-এর গ্রন্থ— – মনসামঙ্গল
৫৯. ভারতচন্দ্র রায়-এর গ্রন্থ— – অন্নদামঙ্গল
৬০. মুকুন্দ চক্রবর্তী-এর গ্রন্থ— – চণ্ডীমঙ্গল
৬১. ঘনরাম চক্রবর্তী-এর গ্রন্থ— – ধর্মমঙ্গল
৬২. ‘অভয়ামঙ্গল’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে? – মুকুন্দ চক্রবর্তী
৬৩. মনসামঙ্গল কাব্যধারার কবি হলেন— – সবগুলি (বিজয়গুপ্ত, নারায়ণ দেব, কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ)
৬৪. ‘কবিকঙ্কন’ কার উপাধি? – মুকুন্দ চক্রবর্তী
৬৫. ‘রাঢ়ের জাতীয় কাব্য’ বলা হয় যে মঙ্গলকাব্যকে— – ধর্মমঙ্গল
৬৬. ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের রচয়িতা কে? – ভারতচন্দ্র রায়
৬৭. ‘বিদ্যাসুন্দর’ উপাখ্যানের সর্বশ্রেষ্ঠ কবি কে? – ভারতচন্দ্র রায়
৬৮. ‘রায়গুণাকার’ উপাধি পেয়েছিলেন— – ভারতচন্দ্র রায়
৬৯. মনসামঙ্গল কাব্যের আদি কবি— – হরিদত্ত
৭০. চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের আদি কবি— – মানিক দত্ত
৭১. ধর্মমঙ্গল কাব্যের আদি কবি— – ময়ূরভট্ট
৭২. সৈয়দ আলাওল কোন শতাব্দীর কবি? – সপ্তদশ
৭৩. সৈয়দ আলাওল রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্য কোনটি? – পদ্মাবতী
৭৪. দৌলত কাজীর লেখা গ্রন্থটির নাম কী? – লোরচন্দ্রাণী বা সতীময়না
৭৫. ‘রসুলবিজয়’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে? – সাবিরিদ খান
৭৬. শাক্ত সংগীতের পথিকৃৎ— – রামপ্রসাদ সেন
৭৭. রামপ্রসাদ সেনের উপাধি ছিল— – কবিরঞ্জন
৭৮. ‘সাধকরঞ্জন’ গ্রন্থটি রচনা করেন— – কমলাকান্ত ভট্টাচার্য
৭৯. ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’ প্রথম সংগ্রহ করেন— – চন্দ্রকুমার দে
৮০. আধুনিককালে প্রথম বাউল গান সংগ্রহ করেন— – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
শিক্ষামূলক পোস্ট
বিশ্বের ভাষা ও পরিবার এবং ভারতের ভাষাপরিবার ও বাংলা ভাষা
ভাষা বিজ্ঞান, পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষাবংশ, ভারতের ভাষাপরিবার এবং বাংলা ভাষা সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর ও বহু বিকল্পভিত্তিক আলোচনা।
১
বিশ্বের ভাষা ও পরিবার (প্রশ্ন ১–১৫)
১. সংস্কৃত, গ্রিক, লাতিন, জার্মানিক ভাষা গোষ্ঠীর সঙ্গে সাদৃশ্যের কথা বলেন – উইলিয়ম জোন্স
২. উইলিয়ম জোন্স কত খ্রিস্টাব্দে কলকাতার রয়্যাল সোসাইটির অধিবেশনে ভাষা বিষয়ে বক্তব্য রাখেন? – ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে
৩. পৃথিবীর ভাষাকে বর্গীকরণ করা হয় – ছয়রকম পদ্ধতিতে
৪. ভাষার রূপতাত্ত্বিক শ্রেণিবিভাগের ভিত্তি হল – বাক্য ও শব্দের বিশ্লেষণ
৫. বাক্যের মধ্যে শব্দের অবস্থান দেখে কর্তা, কর্ম ইত্যাদি নিরূপণ করা হয় যে ধরনের ভাষাগোষ্ঠীতে – সমন্বয়ী বর্গ
৬. অনন্বয়ী বা অসমবায়ী বর্গের ভাষা হল – ভোটচিনা
৭. মুক্তান্বয়ী বর্গের অন্তর্গত ভাষা হল – তুর্কি
৮. দ্রাবিড় ভাষাগোষ্ঠীর ভাষা যে বর্গের অন্তর্গত, তা হল – মুক্তান্বয়ী
৯. এস্কিমোদের ভাষা যে শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত – অত্যন্বয়ী
১০. সংস্কৃত, বাংলা, ল্যাটিন, ইংরেজি, আরবি ইত্যাদি ভাষাগুলি কোন্ বর্গের অন্তর্গত – সমন্বয়ী
১১. একই বংশজাত ভাষাগুলিকে বলা হয় – সমগোত্রজ ভাষা
১২. পৃথিবীর প্রধান ভাষাবংশের সংখ্যা – ১২টি
১৩. পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষাবংশগুলির মধ্যে বৃহত্তম হল – ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ
১৪. ‘ইলিয়াড’ ও ‘ওডিসি’ কোন ভাষায় রচিত? – গ্রিক
১৫. ইতালীয় ভাষাগোষ্ঠী কোন্ ভাষাবংশের অন্তর্গত? – ইন্দো-ইউরোপীয়
২
বিশ্বের ভাষা ও পরিবার (প্রশ্ন ১৬–৩০)
১৬. ক্রিট দ্বীপে প্রাপ্ত গ্রিক ভাষার নিদর্শনটি কত খ্রিস্টপূর্বাব্দের? – ১৪৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দের
১৭. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের অন্তর্গত ভাষাগোষ্ঠীর সংখ্যা – ৯টি
১৮. ইতালীয় শাখার প্রধান ভাষা হল – ল্যাটিন
১৯. ফরাসি ভাষা যে শাখার অন্তর্গত – কোনোটিই নয়
২০. সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে থাকা ইংরেজি ভাষা ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশের যে শাখা থেকে এসেছে – জার্মানিক
২১. কেলতিক ভাষাগুলির মধ্যে বর্তমানে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ভাষা কোনটি? – আইরিশ
২২. ইরানীয় শাখা থেকে জন্ম নেওয়া দুটি প্রাচীন ভাষা হল – আবেস্তীয় এবং প্রাচীন পারসিক
২৩. ইরানীয় শাখার প্রাচীনতম নিদর্শন – জেন্দ আবেস্তা
২৪. আবেস্তীয় ভাষায় কোন ধর্মগ্রন্থ রচিত হয়েছে? – জেন্দ আবেস্তা
২৫. ইন্দো-ইউরোপীয় বংশের যে শাখাটি ভারতে প্রবেশ করে তার নাম – ভারতীয় আর্য
২৬. ইরানীয় শাখাটি বিস্তারলাভ করে – প্রাচীন পারস্যে
২৭. আধুনিক ফারসি ভাষার জন্ম হয়েছে – প্রাচীন পারসিক থেকে
২৮. আফগানিস্তানের পস্তু আর বেলুচিস্তানের বেলুচি যে ভাষাবংশের অন্তর্গত, তা হল – ইন্দো-ইরানীয়
২৯. বাইবেলের ওল্ড টেস্টামেন্ট কোন ভাষায় রচিত? – হিব্রু
৩০. ইজরায়েল দেশের সরকারি ভাষা হল – আধুনিক হিব্রু
৩
বিশ্বের ভাষা ও পরিবার (প্রশ্ন ৩১–৪৫)
৩১. ইনকা সভ্যতার অধিবাসীরা যে ভাষা ব্যবহার করত, তা হল – কিচুয়া
৩২. অবর্গীভূত ভাষার উদাহরণ হল – জাপানি ভাষা
৩৩. ভারতে প্রচলিত অবর্গীভূত ভাষা হল – সবগুলি
৩৪. একটি মিশ্র ভাষার উদাহরণ হল – বিচ-লা-মার
৩৫. মিশ্রভাষা মূলত ব্যবহৃত হয় – ভাষার কথ্যরূপে
৩৬. ‘পিজিন ইংলিশ’-এর উদ্ভব ঘটেছে – ব্যাবসায়িক কারণে
৩৭. ‘পিজিন’ দীর্ঘস্থায়ী হলে জন্ম নেয় – ক্রেওল
৩৮. পিজিন ইংলিশের ‘পিজিন’ শব্দটি এসেছে ইংরেজি ‘বিজনেস’ শব্দের – চীনীয় উচ্চারণ থেকে
৩৯. বিচ-লা-মার হল – স্পেনীয় ও পোর্তুগিজ ভাষার মিশ্রণ
৪০. কৃত্রিম ভাষার প্রস্তাব দিয়েছিলেন – রেনে দেকার্ত
৪১. ‘Doktoro Esperanto’ – ছদ্মনামটি যার – এল এল জামেনহফ
৪২. এসপেরান্তো ভাষার প্রস্তাবটি যে ভাষায় লেখা – রুশ
৪৩. আন্তর্জাতিক ভাববিনিময়ের জন্য একটি ভাষা হল – এসপেরান্তো
৪৪. ‘এসপেরান্তো’ ভাষা গড়ে ওঠে কোন ভাষাকে ভিত্তি করে? – ইন্দো-ইউরোপীয়
৪৫. এসপেরান্তো মাতৃভাষা প্রায় – এক হাজার মানুষের
৪
বিশ্বের ভাষা ও পরিবার (প্রশ্ন ৪৬–৬০)
৪৬. বর্তমানে ‘এসপেরান্তো’ ভাষায় কথা বলেন – কুড়ি লক্ষ মানুষ
৪৭. ‘ভোলাপুক’ নামে কৃত্রিম ভাষাটি তৈরি করেন – মার্টিন শ্লোইয়ার
৪৮. কৃত্রিম আন্তর্জাতিক ভাষা ‘এসপেরান্তো’ তৈরি করেন – এল এল জামেনহফ
৪৯. অঙ্গসঞ্চালনের মাধ্যমে ব্যবহৃত ভাষার নাম – প্যারা ল্যাঙ্গুয়েজ
৫০. সাংকেতিক ভাষা (Sign Language)-র উদ্ভব ঘটে কত খ্রিস্টাব্দে? – ১৭৭৫ খ্রিস্টাব্দে
৫১. সাংকেতিক ভাষা তৈরি হয় – মূক ও বধিরদের জন্য
৫২. রুশ ভাষা যে ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত – বালতো-শ্লাভিক
৫৩. পোর্তুগিজ ভাষা যে ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত – ইতালীয়
৫৪. জার্মানিক শাখার উত্তর জার্মানিক উপশাখার একটি ভাষা হল – সুইডিশ
৫৫. বান্টু ভাষাগোষ্ঠীর একটি ভাষা হল – জুলু
৫৬. হাঙ্গেরির ভাষা – মজর
৫৭. অবর্গীভূত বা অশ্রেণিবদ্ধ ভাষার উদাহরণ – সবগুলি
৫৮. আঙুল দিয়ে বানান করে শব্দ বোঝানোর পদ্ধতিকে বলে – Dactylology
৫৯. আফগানিস্তানের ভাষা হলো – পশতু
৬০. স্তম্ভ মিলিয়ে সঠিক বিকল্পটি নির্ণয় করো:
(i) বিচ-লা-মার b) মিশ্র ভাষা, (ii) এসপেরান্তো a) কৃত্রিম ভাষা, (iii) জাপানি d) অবর্গীভূত ভাষা, (iv) ল্যাটিন c) ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ – C) i) b), ii) a), iii) d), iv) c
৫
ভারতের ভাষাপরিবার ও বাংলা ভাষা (প্রশ্ন ৬১–৭৫)
৬১. “ভারত ______ ভাষাবংশের দেশ।” – চার
৬২. Linguistic Survey of India 1903-1928-এর মূল সম্পাদক ছিলেন— জর্জ গ্রিয়ার্সন
৬৩. Linguistic Survey of India 1903-1928 অনুসারে ভারতে প্রচলিত ভাষার সংখ্যা ছিল— ১৭৯টি
৬৪. ভারতীয় জনসমূহের প্রাচীনতম স্তর কোনটি? – নেগ্রিটো
৬৫. বর্তমানে ভারতের কটি ভাষা অস্ট্রিক ভাষাবংশজাত? – ৬৫টি
৬৬. ভারতের প্রাচীনতম ভাষাগোষ্ঠী কোনটি? – অস্ট্রিক
৬৭. প্রত্ন-অস্ত্রালদের ভাষার নাম— অস্ট্রিক
৬৮. অস্ট্রোনেশীয় শাখাটির উদাহরণ হল— মালয় ভাষা
৬৯. মেলানেশীয় ভাষাগোষ্ঠী দেখা যায়— ফিজি দ্বীপে
৭০. হাওয়াই দ্বীপের আদিবাসীদের ভাষা কোন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত? – পলিনেশীয়
৭১. ভারতে প্রচলিত অস্ট্রিক শাখাটি হল— অস্ট্রো-এশিয়াটিক
৭২. অস্ট্রো-এশিয়াটিকের বৃহত্তম ধারাটি হল— পশ্চিমা
৭৩. অস্ট্রো-এশিয়াটিক শাখার অন্যতম প্রধান ভাষা হল— সাঁওতালি
৭৪. সাঁওতালি ভাষা আগে লেখা হত— বাংলা লিপিতে ও রোমক লিপিতে
৭৫. সাঁওতালি ভাষার লিপির নাম— অলচিকি
৬
ভারতের ভাষাপরিবার ও বাংলা ভাষা (প্রশ্ন ৭৬–৯০)
৭৬. অলচিকি লিপির উদ্ভাবক কে? – রঘুনাথ মুর্মু
৭৭. ফাদার হফম্যানের সম্পাদনায় কোন গ্রন্থটি ১৩টি খণ্ডে সংকলিত হয়েছে? – মুন্ডারি এনসাইক্লোপিডিয়া
৭৮. মোন্-খমের শাখার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভাষা হল? – খাসি
৭৯. ভাষাভাষীর দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম ভাষাবংশ হল— দ্রাবিড়
৮০. বর্তমানে ভারতের কোন অঞ্চলে দ্রাবিড় ভাষাবংশের একচ্ছত্র বিস্তার ঘটেছে? – দক্ষিণাঞ্চলে
৮১. দ্রাবিড় ভাষাবংশের প্রধানতম শাখা কোনটি? – দক্ষিণী
৮২. যে অঞ্চলে ‘ব্রাহুই’ ভাষার চিহ্ন মেলে— পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে
৮৩. বাংলা-ঝাড়খণ্ড সীমান্ত রাজমহল পাহাড় সংলগ্ন অঞ্চলে যে ভাষা প্রচলিত— মালতো ভাষা
৮৪. স্তম্ভ মেলাও: (i) মুন্ডারি c) অস্ট্রিক, (ii) মালপাহাড়ি a) দ্রাবিড়, (iii) মেইতেই d) ভোটচিনা, (iv) বাংলা b) ইন্দো-ইউরোপীয় – (D) i) c), ii) a), iii) d), iv) b
৮৫. ভারতে প্রচলিত দ্রাবিড় ভাষাবংশের একটি প্রধান ভাষা— তেলুগু
৮৬. ওরাওঁ উপজাতির ভাষা হল— কুরুখ
৮৭. দ্রাবিড় ভাষাবংশের মধ্যদেশীয় শাখার অন্তর্গত একটি ভাষা হল— গোন্ডী
৮৮. তামিল ভাষায় ব্যবহৃত স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জনবর্ণের সংখ্যা হল— ১২ ও ১৮
৮৯. কেরল ও লাক্ষাদ্বীপের প্রধান ভাষা হল— মালয়ালম্
৯০. দ্রাবিড় ভাষাগুলির মধ্যে কোন্ ভাষায় সংস্কৃত প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়েছে? – মালয়ালম্
৭
ভারতের ভাষাপরিবার ও বাংলা ভাষা (প্রশ্ন ৯১–১২০)
৯১. মালয়ালমের লিপি অন্যান্য দ্রাবিড় ভাষার মতোই যে লিপি থেকে উদ্ভূত— ব্রাহ্মী লিপি
৯২. প্রাচীনতম দ্রাবিড়ীয় শিলালিপি (৪০০ খ্রিস্টাব্দ) লেখা হয় যে ভাষাতে— কন্নড়
৯৩-৯৫. ভাষাভাষীর সংখ্যার দিক থেকে দ্রাবিড় ভাষাবংশের মধ্যে ভারতে প্রথম স্থান— তেলুগু ভাষার
৯৪. তেলুগু ভাষার প্রচলন স্থান দক্ষিণ ভারতের যে রাজ্যে প্রধান— অন্ধ্রপ্রদেশ
৯৬. ব্রাহ্মী লিপির সন্ততি হল— পল্লব লিপি
৯৭. মঙ্গোলয়েডরা ভারতে প্রবেশ করে— ভারতবর্ষে আর্য আগমনের আগে
৯৮. ভোটচিনা ভাষায় কথা বলত— মঙ্গোলয়েডরা
৯৯. ভারতের সঙ্গে সম্পর্কহীন ভোটচিনা ভাষার একটি শাখা হল— য়েনিসি
১০০. ভোটবর্মী শাখা ভারতের যে অঞ্চলে প্রচলিত— হিমালয় অঞ্চলে
১০১. ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর যে শাখাটি ভারতে প্রবেশ করে, তার নাম – ভারতীয় আর্য
১০২. ভারতীয় আর্যভাষা ভারতে প্রবেশ করে আনুমানিক – খ্রিস্ট জন্মের দেড় হাজার বছর আগে
১০৩. প্রাচীনভারতীয় আর্যভাষার সময়কাল আনুমানিক— ১৫০০-৬০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
১০৪. মধ্যভারতীয় আর্যভাষার সময়কাল – আনুমানিক ৬০০ খ্রিঃ পূঃ থেকে ৯০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত
১০৫. নব্য ভারতীয় আর্যভাষার বিস্তার – আনুমানিক ৯০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে বর্তমান কাল পর্যন্ত
১০৬. প্রাচীন ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীনতম নমুনা হলো— ঋগ্বেদ
১০৭. নেপালি ভাষার উদ্ভব ঘটেছে- শৌরসেনী প্রাকৃত অপভ্রংশ থেকে
১০৮. বাংলা ভাষার উদ্ভব- মাগধী অপভ্রংশ থেকে
১০৯. বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে- মাগধী প্রাকৃত থেকে
১১০. পৃথিবীর সর্বকালের শ্রেষ্ঠ বৈয়াকরণ— পাণিনি
১১১. ‘অষ্টাধ্যায়ী’ ব্যাকরণ গ্রন্থটি লিখেছিলেন – পাণিনি
১১২. মধ্য ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীনতম নিদর্শন – অশোকের শিলালিপি
১১৩. মধ্য ভারতীয় আর্যভাষার প্রথম স্তরের একটি ভাষারূপ হল – প্রাকৃত
১১৪. পালি ভাষার উদ্ভব – মার্জিত সাহিত্যিক ভাষা হিসেবে
১১৫. বুদ্ধদেব যে ভাষায় তার বাণী প্রচার করেন, সেটি হল – পালি ভাষা
১১৬. ‘জাতকের গল্প’ রচিত হয়েছে – পালি ভাষায়
১১৭. ‘সুত্তনিপাত’ নামক কবিতাসংকলনটি কোন্ ভাষায় লেখা হয়েছিল? – পালি
১১৮. পালি ভাষায় লেখা উৎকৃষ্ট কবিতাসংকলন হল – থেরগাথা
১১৯. প্রাচীন বাংলার সময়সীমা হলো আনুমানিক— ৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ
১২০. মধ্য বাংলার সময়সীমা আনুমানিক— ১৩৫০ থেকে ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
৮
ভাষা বৈচিত্র্য ও বাংলা ভাষা (প্রশ্ন ১২১–১৫০)
১২১. আদি-মধ্য বাংলার বিস্তৃতিকাল- ১২৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত
২২২. অন্ত্য-মধ্য বাংলার সময়কাল হলো— ১৫০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত
১২৩. আধুনিক বাংলার সময়সীমা আনুমানিক— ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ থেকে আজ পর্যন্ত
১২৪. প্রাচীন বাংলার প্রধান নিদর্শন কোনটি? – চর্যাপদ
১২৫. শ্রীকৃষ্ণকীর্তন বাংলা ভাষার কোন স্তরের নিদর্শন? – আদি-মধ্য বাংলা
১২৬. ‘অমরকোষ’-এর টীকা রচনা করেন – সর্বানন্দ
১২৭. পাঞ্জাবি ভাষায় গুরমুখী লিপিতে লেখা— গ্রন্থসাহিব
১২৮. ‘বাংলা ভাষার কুলজী’ ও ‘দ্রাবিড়’ প্রবন্ধ দুটি লিখেছেন – সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
১২৯. বাংলা ভাষা ‘অনার্য্য ভাষার ছাঁচে ঢালা আর্য্য ভাষা’- কথাটি বলেছেন- সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
১৩০. “সংস্কৃত বাংলা ভাষার অতি-অতি-অতি-অতি-অতিবৃদ্ধ পিতামহী।” – কথাটি কে বলেন? – হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
১৩১. একই ভাষার মধ্যে আঞ্চলিক পৃথক রূপকে কী বলা হয়? – উপভাষা
১৩২. বাংলা ভাষায় উপভাষার সংখ্যা — পাঁচটি
১৩৩. কলকাতা ও ভাগীরথী-হুগলি নদীর আশপাশে যে উপভাষা প্রচলিত, তা হল — রাঢ়ী
১৩৪. বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের প্রধান উপভাষা — রাঢ়ী
১৩৫. অভিশ্রুতি যে উপভাষার বৈশিষ্ট্য সেটি — রাঢ়ি
১৩৬. অপিনিহিতির ব্যবহার বেশি যে আঞ্চলিক উপভাষায় তা হল – বঙ্গালী
১৩৭. জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার জেলায় প্রচলিত — কামরূপী উপভাষা
১৩৮. কামরূপী উপভাষার অপর নাম — রাজবংশি
১৩৯. পুরুলিয়া এবং মেদিনীপুরের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে যে উপভাষা প্রচলিত — ঝাড়খণ্ডী
১৪০. ঝাড়খণ্ডী উপভাষার নামকরণ করেছেন — ড. সুকুমার সেন
১৪১. মানভূম, সিংভূম, ধলভূম অঞ্চলে প্রচলিত উপভাষা হল – ঝাড়খণ্ডী
১৪২. একই উপভাষা যখন সমগ্র উপভাষা অঞ্চলে মান্যতা পায়, তখন তাকে বলে — মান্য উপভাষা
১৪৩. ‘সাধুভাষা’ শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন? – রামমোহন রায়
১৪৪. ‘আলালের ঘরের দুলাল’ গ্রন্থের লেখক — প্যারীচাঁদ মিত্র
১৪৫. ‘হুতোম প্যাঁচার নকশা’ গ্রন্থের লেখক – কালীপ্রসন্ন সিংহ
১৪৬. কোন পত্রিকাকে কেন্দ্র করে চলিতভাষা সাহিত্যের অঙ্গনে স্থান করে নেয়? – সবুজপত্র
১৪৭. তৎসম বা সংস্কৃত শব্দের প্রাধান্য রয়েছে এমন ভাষারীতি — সাধু
১৪৮. মান্য বাংলা ভাষা যে আঞ্চলিক উপভাষা নিয়ে তৈরি হয়েছে তা হল – রাঢ়ী
১৪৯. মালদহ, দক্ষিণ দিনাজপুরে প্রচলিত উপভাষা — বরেন্দ্রী
১৫০. একই আঞ্চলিক উপভাষা ব্যবহারকারী একই শ্রেণির মানুষের মধ্যে যখন ব্যক্তি অনুসারে ভাষা প্রয়োগে স্বাতন্ত্র্য দেখা যায় – তখন তাকে বলে — বিভাষা
