উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা
তৃতীয় সেমিস্টার
মূলগ্রন্থ: ‘ভাববার কথা’ | রচনাকাল: ১৯০০ খ্রিস্টাব্দের ২০ ফেব্রুয়ারি | পত্রিকা: উদ্বোধন
১. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধটির লেখক কে?
২. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ রচনাটি প্রকাশিত হয়েছিল যে পত্রিকায়-
৩. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধের রচনাকাল-
৪. স্বামী বিবেকানন্দ যত তারিখে ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধটি রচনা করেন –
৫. “একটা অপার সমুদ্র দাঁড়িয়ে গেছে।” –
৬. বুদ্ধ থেকে চৈতন্য সকলেই সাধারণকে শিক্ষা দিয়েছেন-
৭. প্রাচীনকাল থেকে আমাদের সমস্ত বিদ্যা বিষয়ের অবলম্বন –
৮. ‘মহাভাষ্য’-এর রচয়িতা হলেন –
৯. ‘মীমাংসাভাষ্য’-এর রচয়িতা ছিলেন –
১০. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধে স্বামী বিবেকানন্দ ভাষাকে তুলনা করেছেন-
১১. “বাঙ্গালা দেশের স্থানে স্থানে রকমারি ভাষা, কোনটি গ্রহণ করব?” –
১২. ‘রাজা আসীৎ’ এ কথার অর্থ-
১৩. ভাষা যার বাহক-
১৪. নীচের কোন ভাষাকে ‘মৃত ভাষা’ বলা হয়?
১৫. ভাষার যে বৈশিষ্ট্যকে স্বামী বিবেকানন্দ গুরুত্ব দিয়েছেন তা হল-
১৬. ভাষার পরিবর্তন নীচের কোন উপাদানের উপর নির্ভরশীল –
১৭. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধ অনুসারে লেখার সময়ে পন্ডিতেরা যে ভাষা ব্যবহার করেন, সেটি হল –
১৮. ভাষার শক্তির মূল উপাদান হল –
১৯. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধে ভাষার উন্নতির প্রধান লক্ষণ হল –
২০. যে ভাষা ভবিষ্যতে বাংলা ভাষার মূলভিত্তি হবে তা হল –
২১. সংস্কৃত ভাষার চাল –
২২. “ভরত ঋষিও বুঝতে পারেন না” – ভরত ঋষি বুঝতে পারেন না-
২৩. ভাষার অগ্রগতি যার মাধ্যমে হয় –
২৪. ‘বাঙ্গালা ভাষা’ প্রবন্ধ অনুসারে ভাষা হবে –
২৫. স্বামী বিবেকানন্দের মতে চলিত ভাষাতেও হতে পারে –
২৬. দর্শন-বিজ্ঞান ইত্যাদি লেখার উপযুক্ত ভাষা হল –
২৭. সাধারণ মানুষের ভাষায় ধর্মীয় শিক্ষাপ্রচার করে –
২৮. শূন্যস্থান পূরণ করো :
যাঁরা __________ এসেছেন তাঁরা সকলেই সাধারণ লোকের ভাষায় সাধারণকে শিক্ষা দিয়েছেন।
২৯. “ ________ থেকে বৈদ্যনাথ পর্যন্ত ঐ কলকেতার ভাষাই চলবে।”
৩০. “ ___________ ভাষাই অল্পদিনে সমস্ত বাংলাদেশের ভাষা হয়ে যাবে…।”
৩১. ভাষা ____________ বাহক।
৩২. হীরেমতির সাজ পরানো ঘোড়ার উপর ________ বসালে কি ভাল দেখায়?
৩৩. স্তম্ভ মিল করো :
| ক-স্তম্ভ | খ-স্তম্ভ |
|---|---|
| a. মীমাংসাভাষ্য | i. ভরত |
| b. নাট্যশাস্ত্র | ii. পতঞ্জলি |
| c. ব্রাহ্মন | iii. শবরস্বামী |
| d. মহাভাষ্য | iv. বেদ |
৩৪. স্তম্ভ মিল করো :
| ক-স্তম্ভ | খ-স্তম্ভ |
|---|---|
| a. চলিত ভাষা | i. লোকহিত |
| b. অস্বাভাবিক ভাষা | ii. শিল্পনৈপুণ্য |
| c. প্রাচীন বিদ্যা | iii. পান্ডিত্য |
| d. সাধারণের ভাষা | iv. সংস্কৃত |
৩৫. সত্য-মিথ্যা নির্ণয় করো :
i) ভাষা হচ্ছে উন্নতির প্রধান উপায়-লক্ষণ।
ii) চলিত ভাষায় শিল্পনৈপুণ্য হয়।
iii) সংস্কৃতের চাল নকল করে ভাষা অস্বাভাবিক হয়ে যাচ্ছে।
iv) অর্থ উন্নতির প্রধান উপায়।
৩৬. সত্য-মিথ্যা নির্ণয় করো :
i. ভাষা হচ্ছে উন্নতির প্রধান উপায়-লক্ষণ।
ii. বুদ্ধিমান অবশ্যই গ্রাম্যভাষাকে ভিত্তিস্বরূপ গ্রহণ করবেন।
iii. কলকেতার ভাষাই অল্প দিনে সমস্ত বাঙ্গালা দেশের ভাষা হয়ে যাবে।
iv. চট্টগ্রাম হতে বৈদ্যনাথ পর্যন্ত ওই কলকেতার ভাষাই চলবে।
৩৭. সত্য-মিথ্যা নির্ণয় করো :
(i) প্রাচীনকাল থেকে আমাদের দেশের সমস্ত বিদ্যা সংস্কৃততে।
(ii) কলকাতার ভাষাই একমাত্র গ্রহণযোগ্য ভাষা হওয়া উচিত।
(iii) চলিত ভাষায় শিল্পনৈপুন্য হয়।
(iv) পান্ডিত্যের জন্য ভাষার কাঠিন্য প্রয়োজন।
৩৮. সত্য-মিথ্যা নির্ণয় করো :
(i) ভাষা হচ্ছে উন্নতির প্রধান উপায়-লক্ষণ।
(ii) অর্থ উন্নতির প্রধান উপায়।
(iii) ভাষাকে হতে হবে সাফ ইস্পাতের মতো।
(iv) বাংলাদেশে রকমারি ভাষা প্রচলিত।
৩৯. বিবৃতি-কারণধর্মী প্রশ্ন :
বিবৃতি (A): মনের ভাব প্রকাশ করার ভাষা সবথেকে উপযুক্ত ভাষা।
কারণ (R): মনের ভাব প্রকাশের ভাষা অনমনীয়।
৪০. বিবৃতি-কারণধর্মী প্রশ্ন :
বিবৃতি (A): আমাদের দেশে বিদ্বান এবং সাধারণের মধ্যে একটা বিরাট ব্যবধান আছে।
কারণ (B): প্রাচীনকাল থেকেই সংস্কৃত ভাষা আমাদের সমস্ত বিদ্যার আধার।
৪১. বিবৃতি দুটির মধ্যে সঠিক সম্পর্কটি চিহ্নিত করো-
বিবৃতি A: যত মরণ নিকট হয়, নূতন চিন্তাশক্তির যত ক্ষয় হয়, ততই দু-একটা পচা ভাব রাশিকৃত ফুল-চন্দন দিয়ে ছাপাবার চেষ্টা হয়।
বিবৃতি B: দুটো চলিত কথায় যে ভাবরাশি আসবে, তা দু-হাজার চাঁদি বিশেষণেও নেই।
৪২. বিবৃতি (Assertion) ও কারণ (Reason)-এর মধ্যে সঠিক সম্পর্ক নিরূপণ করো-
বিবৃতি (A): ভাষা নিয়ে গ্রাম্য অহংকারকে গুরুত্ব দিতে হবে।
কারণ (R): সমস্ত দেশের কল্যাণের কথা ভাবতে হবে।
৪৩. ঘটনার ক্রম অনুযায়ী সঠিক বিকল্পটি হল-
i. কটমট ভাষা –অপ্রাকৃতিক, কল্পিতমাত্র, তাতে ছাড়া কি আর যা পান্ডিত্য হয় না?
ii. যাঁরা লোকহিতায় এসেছেন, তাঁরা সকলেই সাধারণ লোকের ভাষায় সাধারণকে শিক্ষা দিয়েছেন।
iii. লেখবার বেলা ও একটা কি কিম্ভুতকিমাকার উপস্থিত কর?
iv. চলিত ভাষায় কি আর শিল্পনৈপুণ্য হয় না?
৪৪. ঘটনার ক্রম অনুযায়ী সঠিক বিকল্পটি হল-
i) স্বাভাবিক যে ভাষায় মনের ভাব আমরা প্রকাশ করি, যে ভাষায় ক্রোধ দুঃখ ভালবাসা ইত্যাদি জানাই, তার চেয়ে উপযুক্ত ভাষা হ’তে পারেই না।
ii) আমাদের ভাষা- সংস্কৃতর গদাই-লস্করি চাল- ঐ এক-চাল নকল ক’রে অস্বাভাবিক হ’য়ে যাচ্ছে।
iii) কলকেতার ভাষাই অল্প দিনে সমস্ত বাঙ্গালা দেশের ভাষা হয়ে যাবে।
iv) একবার কলকেতার হাওয়া খেলেই দেখছি সেই ভাষায় লোকে কয়।
৪৫. घटनाओं ক্রম অনুযায়ী সঠিক বিকল্পটি হল-
ⅰ) দুটো চলিত কথায় যে ভাবরাশি আসবে, তা দু-হাজার ছাঁদি বিশেষণেও নেই।
ⅱ) কোনটা ভাবহীন প্রাণহীন – সে ভাষা, সে শিল্প, সে সংগীত কোনও কাজের নয়।
ⅲ) বুদ্ধিমান অবশ্যই কলকাতার ভাষাকে ভিত্তিস্বরূপ গ্রহণ করবেন।
iv) যে ভাষায় নিজের মনে দর্শন-বিজ্ঞান চিন্তা করো, দশজনে বিচার কর – সে ভাষায় কি দর্শন-বিজ্ঞান লেখবার ভাষা নয়?
📄 PDF আকারে ডাউনলোড করুন
*সরাসরি পিডিএফ হিসেবে সেভ করতে পারবেন।
