ভাষাবিজ্ঞান ও তার বিভিন্ন শাখা
- বিশেষ থেকে সাধারণের দিকে ভাষাবিজ্ঞানের যে গতি, তার পদ্ধতিটি হলো— আরোহমূলক
- বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে ভাষা সম্পর্কে আলোচনার প্রথম ধাপ হলো— তথ্যসংগ্রহ ও নথিভুক্তকরণ
- ভাষাবিজ্ঞানের মূল আলোচ্য বিষয় হলো— মুখের ভাষা
- তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত করেছিলেন— স্যার উইলিয়াম জোন্স
- সংস্কৃত, গ্রিক, লাতিন, ফারসি প্রভৃতি ভাষাগুলির মূলে রয়েছে যে ভাষা— ইন্দো-ইউরোপীয়
- সমগোত্রজ ভাষাগুলির মধ্যে তুলনা করে ও তাদের উৎসভাষাকে পুনর্নিমাণ করে— তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞান
- এক বা একাধিক ভাষার কালগত ধারাবাহিক রূপান্তর আলোচনা করে— ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান
- ভাষার বিবর্তনের ফলে সংগঠনে যে পরিবর্তন দেখা যায় তা নির্দেশ করে— ঐতিহাসিক ভাষাবিজ্ঞান
- সমকালীন ভাষার গঠনরীতির বিচার-বিশ্লেষণ করে— বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান
- আধুনিক ভাষাবিজ্ঞান চর্চার সূত্রপাত হয় যে চর্চার দ্বারা— তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞান
- বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত হয়েছিল— বিংশ শতাব্দীর গোড়ার দিকে
- তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত হয়েছিল— অষ্টাদশ শতাব্দীতে
- বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত হয়েছিল— ইউরোপে
- যে ভাষার কোনো অতীত নিদর্শন নেই, সেই ভাষার আলোচনার জন্য প্রয়োজন— বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান
- বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞান আলোচনা করে— সমকালীন ভাষার গঠনরীতি নিয়ে
- বর্ণনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের মতে কোনো ভাষার আলোচনার প্রধান বিষয় হলো— চারটি
- ভাষা কীভাবে সমাজে কাজ করে এবং সমাজ কীভাবে ভাষার ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তা আলোচনা করে— সমাজভাষাবিজ্ঞান
- মস্তিষ্ক আর ভাষা—এই দুয়ের মেলবন্ধন ঘটায়— স্নায়ুভাষাবিজ্ঞান
- কোনো একটি রচনার বা রচয়িতার স্বকীয়তা নিয়ে আলোচনা করে— শৈলীবিজ্ঞান
- “মস্তিষ্ক হল ভাষা শেখার ব্যবস্থা” —মতটির প্রবক্তা— নোয়াম চমস্কি
- LAD-এর পূর্ণরূপটি হলো— Language Acquisition Device
- উপলক্ষ অনুযায়ী ভাষার বা উপভাষার যে বদল হয়, তাকে সমাজভাষাবিজ্ঞানীরা বলেন— রেজিস্টার
- কোনো ব্যক্তি ভাষা বা উপভাষার যে বিশেষ রীতি ব্যবহার করেন, সমাজভাষাবিজ্ঞানে তাকে বলে— কোড
- কোনো বিশেষ ভাষাগোষ্ঠীর মানুষ অন্য ভাষাগোষ্ঠীর সংস্পর্শে এলে দুটি ভাষাই সমান্তরালভাবে থেকে গেলে তাকে বলে— দ্বিভাষিকতা
- শৈলী শব্দের অপর নাম— রীতি
- ভারতের অভিধান রচনার সূত্রপাত হয়েছে— যাস্কের ‘নিরুক্ত’ থেকে
- ‘চিন্তার পোশাক’ (The dress of thought) মতবাদটির প্রবক্তা— স্যামুয়েল ওয়েসলি
- লাঙ্ (Langue) ও পারোল (Parole)-এর নামকরণ করেন— ফের্দিনাঁ দ্য সোস্যুর
- শৈলী বিচার করার ক্ষেত্রে যে প্রকরণ (Tool)-গুলি ব্যবহৃত হয়, তার সংখ্যা— পাঁচ
- প্রমুখন, বহুস্বরতা-প্রভৃতি প্রকরণ যে ভাষাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হয়, তা হলো— শৈলীবিজ্ঞান
- “Style is the man himself” —উক্তিটি করেছেন— বুঁফ (Buffon)
- কোড-বদল (Code-switching) ভাষাবিজ্ঞানের যে শাখার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তা হলো— সমাজভাষাবিজ্ঞান
- শৈলীবিজ্ঞানে বহুস্বরতা (Polyphony) পরিভাষাটির প্রবক্তা— মিখাইল বাখতিন
- ভারতের অভিধান রচনার সূত্রপাত যার মাধ্যমে হয়েছিল, তিনি হলেন— যাস্ক
- ত্রয়োদশ শতাব্দীতে ‘অভিধান’ বোঝাতে ‘Dictionarius’ শব্দটি ব্যবহার করেন— জন গারল্যান্ড
- ১৫ খ্রিস্টাব্দে ইংরেজি ‘Dictionary’ শব্দটি পাওয়া যায় যে লাতিন-ইংরেজি অভিধানে, তার সংকলক হলেন— থমাস এলিয়েট
- ভাষাবিজ্ঞানের বহুল প্রচলিত শাখার সংখ্যা হলো— তিনটি
- স্যার উইলিয়াম জোন্স তুলনামূলক ভাষাবিজ্ঞানের সূত্রপাত করেছিলেন— ১৭৮৬ খ্রিস্টাব্দে
- সমাজভাষাবিজ্ঞানের মূল ভাগ হলো— তিনটি
- মস্তিষ্ককে ‘ভাষা শেখার যন্ত্র’ বলেছেন— নোয়াম চমস্কি
- ফলিত ভাষাবিজ্ঞানের অন্তর্গত একটি বিষয় হলো— শৈলীবিজ্ঞান
- বিচ্যুতি হলো যে বিচারের অন্যতম প্রকরণ— শৈলী
- যাস্কের লেখা বিখ্যাত অভিধানের নাম হলো— নিরুক্ত
ধ্বনিতত্ত্ব
- ভাষার অর্থহীন এবং ক্ষুদ্রতম একক হলো— বাগধ্বনি
- কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি হলো— আ
- ‘খ্’ ও ‘থ্’ ধ্বনি দুটি হলো— মহাপ্রাণ অঘোষ
- বাংলায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা— ৭টি
- ‘ল্’ ধ্বনিটি হলো একটি— পার্শ্বিক ধ্বনি
- ভাষা শরীরের সবচেয়ে নীচের স্তরটি হলো— ধ্বনিস্তর
- ই, উ – এই স্বরধ্বনিগুলির উচ্চারণকালে মুখবিবর থাকে— কম খোলা
- ‘অ্যা’ স্বরধ্বনিটি রয়েছে— ধ্বনিমালাতে, কিন্তু বর্ণমালাতে নেই
- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ হলো— ৮টি
- শ্, স্, হ্ —এই ধ্বনি তিনটি হলো— উষ্ম ধ্বনি
- ‘প্’ হলো একটি— ওষ্ঠ্য ধ্বনি
- ‘র্’ ধ্বনিটি হলো একটি— কম্পিত ধ্বনি
- ধ্বনিমিত্তে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়, তা হলো— বাগধ্বনি
- ঘৃষ্টধ্বনির একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ হলো— চ্
- ম্ন, ন্ন, ঙ্ —এগুলি হলো— নাসিক্যধ্বনি
- তাড়িত অল্পপ্রাণ ধ্বনি হলো— ড়্
- তাড়িত মহাপ্রাণ ধ্বনি হলো— ঢ়্
- বিসর্গ (ঃ) হলো এক ধরনের— আশ্রয়স্থানভাগী বর্ণ
- অ, আ হলো— কণ্ঠ্যবর্ণ
- বিভাজ্যধ্বনির মূল দুটি ভাগ হলো— স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি
- ক, খ, গ, ঘ বর্ণগুলি হলো— জিহ্বামূলীয় বা কণ্ঠ্যবর্ণ
- বাংলা উচ্চারণে অর্ধস্বরের সংখ্যা হলো— চারটি
- ই স্বরধ্বনি হলো— উচ্চ, সম্মুখ, প্রসৃত, সংবৃত
- ও স্বরধ্বনি হলো— উচ্চমধ্য, পশ্চাৎ, বর্তুল, অর্ধসংবৃত
- এ স্বরধ্বনি হলো— উচ্চমধ্য, সম্মুখ, প্রসৃত, অর্ধসংবৃত
- ‘জ্’ হলো একটি— তালব্য ধ্বনি
- বিভাজ্যধ্বনির অপর নাম হলো— খণ্ডধ্বনি
- দৈর্ঘ্য, শ্বাসাঘাত, যতি ও সুরতরঙ্গ যে ধ্বনির অন্তর্গত, সেটি হলো— অবিভাজ্যধ্বনি
- একটি সম্মুখ স্বরধ্বনির উদাহরণ হলো— ই
- অযোগবাহ বর্ণ দুটি হলো— ং, ঃ
- সবচেয়ে উচ্চ স্বরধ্বনি হলো— ই, উ
- কুঞ্চিত স্বরধ্বনি হলো— উ
- ঐ, ঔ হলো— যৌগিক স্বর
- অ, ই, উ, ঋ হলো— হ্রস্বস্বর
- বর্গের দ্বিতীয় বর্ণগুলি হলো— অঘোষ মহাপ্রাণ
- কণ্ঠৌষ্ঠ্য বর্ণ হলো— ও, ঔ
- র, ল হলো— তরলস্বর
- য, র, ল, ব হলো— অন্তঃস্থবর্ণ
- একটি কণ্ঠ্যতালব্য স্বরধ্বনির উদাহরণ হলো— এ
- ‘ই’ হলো একপ্রকার— তালব্য স্বরধ্বনি
- প, ফ, ব, ভ, ম ধ্বনিগুলি উচ্চারণ স্থান অনুযায়ী— ওষ্ঠ্যধ্বনি
- সন্ধ্যক্ষর বা যৌগিক স্বরের একটি উদাহরণ হলো— ঔ
- ‘উ’ স্বরধ্বনি হলো— উচ্চ, পশ্চাৎ, বর্তুল, সংবৃত
- ‘অ্যা’ স্বরধ্বনি হলো— নিম্নমধ্য, সম্মুখ, প্রসৃত, অর্ধবিবৃত
- ‘অ’ স্বরধ্বনি হলো— নিম্নমধ্য, পশ্চাৎ, বর্তুল, অর্ধবিবৃত
- মুখের মান্য বাংলায় ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা হলো— ৩০টি
- একটি দন্ত্যব্যঞ্জন হলো— দ্
- চ্, ছ্, জ্, ঝ্ ব্যঞ্জনধ্বনিগুলিকে বলা হয়— তালব্যব্যঞ্জন
- একটি কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনি হলো— হ্
- ক, চ, ট, ত, প ধ্বনিগুলি হলো— অঘোষ অল্পপ্রাণ
- ফ, খ, ঠ, ছ ধ্বনিগুলি হলো— অঘোষ মহাপ্রাণধ্বনি
- ধ্বনির যে ক্ষুদ্রতম একক অর্থের পার্থক্য সৃষ্টি করে, তা হলো— ধ্বনিমূল
- ‘লংকা’ শব্দের ‘ল্’ এর উচ্চারণ হলো— দন্তমূলীয় ধ্বনি
- ‘আলতা’ শব্দটির ধ্বনিমূল ‘ল্’-এর সহধ্বনি হলো— দন্ত্য-ল্
- নির্ধারিত প্রতিবেশে নির্দিষ্ট সহধ্বনি অবস্থানের অবস্থাকে বলে— পরিপূরক অবস্থান
- একটিমাত্র ধ্বনির পার্থক্যবিশিষ্ট একজোড়া শব্দকে বলা হয়— ন্যূনতম শব্দজোড়
- ন্যূনতম শব্দজোড়ের শব্দ দুটিকে অবশ্যই হতে হবে— একই ভাষার
- উচ্চারণের সময় সামর্থ্য অনুযায়ী উচ্চারণের ভেদকে বলে— মুক্ত বৈচিত্র্য
- স্বরধ্বনির সঙ্গে অর্ধস্বরের সমাবেশে তৈরি হয়— দ্বিস্বরধ্বনি
- পাশাপাশি উচ্চারিত দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশকে বলে— গুচ্ছধ্বনি
- বাংলায় দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশে তৈরি গুচ্ছধ্বনির সংখ্যা— ২০০টির বেশি
- ‘অস্ত্র’, ‘যন্ত্র’ শব্দ দুটিতে ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশ ঘটেছে— তিনটি
- বাংলায় তিনটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশে তৈরি গুচ্ছধ্বনির সংখ্যা— ৮টি
- চারটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশে তৈরি গুচ্ছধ্বনিটি হলো— সংস্কৃত
- যে ব্যঞ্জনধ্বনিগুলি শব্দের আদ্য অবস্থানে উচ্চারিত হয়, তাদের বলে— যুক্তধ্বনি
- বাংলা শব্দে দুটি ব্যঞ্জনধ্বনির সমাবেশে তৈরি যুক্তধ্বনির সংখ্যা— ২২টি
- তিনটি ব্যঞ্জনের সমাবেশে তৈরি যুক্তধ্বনির সংখ্যা হলো— ২টি
- একাধিক দলযুক্ত শব্দের কোনো একটি দলকে অপেক্ষাকৃত বেশি জোর দিয়ে উচ্চারণ করাকে বলে— শ্বাসাঘাত
শব্দার্থ তত্ত্ব
- ভাষাবিজ্ঞানের যে শাখায় ভাষার অর্থ সংক্রান্ত বিষয় আলোচিত হয়, তা হলো— শব্দার্থতত্ত্ব
- ‘শব্দার্থতত্ত্ব’-এর ইংরেজি পরিভাষাটি হলো— Semantics
- অভিধানে আমরা যেভাবে অর্থ পাই, তা হলো— সাধারণ অর্থ
- ‘মার্জার’ শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো— বিড়াল
- শব্দের অর্থের অভিন্নতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়— সমার্থকতা
- পর্বত : শৈল, গিরি—এটি কিসের উদাহরণ? সমার্থকতা
- ‘মেকুর’ শব্দের অর্থ হলো— বিড়াল
- দুই বা ততোধিক শব্দের মধ্যে অর্থের বৈপরীত্য থাকলে তাকে বলে— বিপরীতার্থকতা
- নেতিবাচক উপসর্গযোগে সৃষ্ট বৈপরীত্যের উদাহরণ হলো— অভিজ্ঞ-অনভিজ্ঞ
- স্বতন্ত্র বিপরীতার্থক শব্দযোগে গঠিত বৈপরীত্য হলো— আর্দ্র-শুষ্ক
- একটি শব্দের অর্থ অপর শব্দের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকাকে বলে— ব্যাপকার্থকতা (অর্থান্তরভুক্তি)
- ‘থিসরাস’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো— রত্নাগার
- সংস্কৃত ভাষায় লিখিত প্রথম থিসরাস হলো— অমরকোষ
- ‘থিসরাস’ অভিধানের আবিষ্কর্তা হলেন— পিটার মার্ক রজেট
- পিটার মার্ক রজেটের থিসরাস জাতীয় অভিধানের রচনাকাল হলো— ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দ
- রজেটের থিসরাস অভিধানের প্রকাশকাল হলো— ১৮৫২ খ্রিস্টাব্দ
- ‘পরশু’ শব্দটি শব্দার্থ পরিবর্তনের যে ধারার অন্তর্গত, তা হলো— শব্দার্থের বিস্তার
- ‘গাং’ শব্দের পূর্ব অর্থ ‘গঙ্গানদী’ থেকে বর্তমান অর্থ ‘যে-কোনো নদী’ হওয়া হলো— শব্দার্থের প্রসার
- ‘কালি’ শব্দটির অর্থ পরিবর্তন হলো— শব্দার্থের প্রসার
- ‘মুনিশ’ শব্দটি শব্দার্থ পরিবর্তনের যে ধারার অন্তর্গত, তা হলো— শব্দার্থের সংকোচ
- ‘অন্ন’ শব্দটির আদি অর্থ ছিল— খাদ্য
- ‘অন্ন’ শব্দের আদি অর্থ ‘খাদ্য’ থেকে পরিবর্তিত অর্থ ‘ভাত’ হওয়া হলো— শব্দার্থের সংকোচ
- ‘মৃগ’ শব্দটির অর্থ পরিবর্তন হলো— শব্দার্থের সংকোচ
- ‘শব্দার্থের রূপান্তর’ অন্য যে নামে পরিচিত, তা হলো— অর্থসংশ্লেষ ও অর্থসংক্রম
- ‘উপবাস’ শব্দটির আদি অর্থ ‘নিকটে বাস’ থেকে বর্তমান অর্থ ‘অনাহার’ হওয়া হলো— শব্দার্থের রূপান্তর
- ‘গবেষণা’ শব্দের আদি অর্থ ছিল— গোরু খোঁজা
- ‘দারুণ’ শব্দটি শব্দার্থ পরিবর্তনের যে ধারার অন্তর্গত, তা হলো— শব্দার্থের রূপান্তর
- ‘প্রদীপ’ শব্দটির অর্থ পরিবর্তন হলো— শব্দার্থের সংকোচ
- ‘গোষ্ঠী’ শব্দটির অর্থ পরিবর্তন হলো— শব্দার্থের রূপান্তর
- কোনো শব্দ তার আদি অর্থের তুলনায় উন্নত মানের অর্থে প্রযুক্ত হলে তাকে বলে— শব্দার্থের উৎকর্ষ
- ‘ধনী’ শব্দটি শব্দার্থ পরিবর্তনের যে ধারার অন্তর্গত, তা হলো— শব্দার্থের প্রসার
- যখন কোনো শব্দ তার মূল অর্থের চাইতে নিম্ন মানের অর্থ ধারণ করে, তখন তাকে বলে— শব্দার্থের অপকর্ষ
- ‘বাড়ন্ত’ শব্দটি শব্দার্থ পরিবর্তনের যে ধারার অন্তর্গত, তা হলো— শব্দার্থের অপকর্ষ
- ‘দারুণ’ শব্দের আদি অর্থ ছিল— কাষ্ঠনির্মিত
- ‘কলম’ শব্দের আদি ও বর্তমান অর্থ হলো যথাক্রমে— শর বা খাগ এবং লেখনী
- ‘কুমোর’ শব্দটির অর্থ পরিবর্তন হলো— শব্দার্থের প্রসার
- ‘মহাজন’ শব্দটি শব্দার্থ পরিবর্তনের যে ধারার অন্তর্গত, তা হলো— শব্দার্থের অপকর্ষ
- ‘ইতর’ শব্দটি শব্দার্থ পরিবর্তনের যে ধারার অন্তর্গত, তা হলো— শব্দার্থের অপকর্ষ
- ‘মন্দির’ শব্দটির অর্থ পরিবর্তন হলো— শব্দার্থের উৎকর্ষ
- ‘ভাত’ শব্দের আদি অর্থ ছিল— প্রাপ্য খাদ্যের অংশ
বাংলা গানের ইতিহাস
- বাংলা গানের আদি নিদর্শন হলো— চর্যাপদ
- চর্যাপদ মূলত হলো— গানের সংকলন
- ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ গ্রন্থে চর্যাগানের মোট সংখ্যা হলো— ৫১ টি
- চর্যার যুগে সঙ্গীতে যতটি অঙ্গ দেখা যায়, তার সংখ্যা হলো— ৬ টি
- চর্যাপদে সবচেয়ে বেশি পদ রচিত হয়েছে যে রাগে, তা হলো— পটমঞ্জরী
- আদি মধ্যযুগের বাংলা ভাষার একমাত্র প্রামাণ্য সাহিত্যিক নিদর্শন হলো— শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের মোট পদের সংখ্যা হলো— ৪১৮ টি
- ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তনে’ মোট যতগুলি রাগ-রাগিণীর ব্যবহার দেখা যায়, তা হলো— ৩২ টি
- মঙ্গলকাব্যগুলি গাওয়া হতো যে লৌকিক ছন্দে, তা হলো— লাচাড়ি ছন্দে
- মনসাগীতি রাঢ় বঙ্গে যে নামে পরিচিত, তা হলো— ঝাপান
- টপ্প গান বাংলায় জনপ্রিয় করেছিলেন— রামনিধি গুপ্ত
- জারি গানে ‘জারি’ শব্দের অর্থ হলো— ক্রন্দন
- কিশোর কুমারের প্রকৃত নাম হলো— আভাস কুমার গঙ্গোপাধ্যায়
- ”মিল সব ভারত সন্তান”—গানটির রচয়িতা হলেন— সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর
- একজন উল্লেখযোগ্য কবিয়াল হলেন— হরু ঠাকুর
- ঢপ কীর্তনের প্রবর্তক হলেন— রূপচাঁদ অধিকারী
- বাংলাদেশে প্রথম যিনি খেয়ালের চর্চা শুরু করেন, তিনি হলেন— রঘুনাথ রায়
- বাংলাদেশের প্রচলিত কীর্তনের জনক হলেন— শ্রীগৌরাঙ্গ
- ‘ধনধান্য পুষ্প ভরা’ গানটির রচয়িতা হলেন— দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
- ‘চারণ কবি’ নামে যিনি প্রসিদ্ধ, তিনি হলেন— মুকুন্দ দাস
- মুকুন্দ দাসের পিতৃদত্ত নাম হলো— যজ্ঞেশ্বর দে
- মান্না দে-র প্রকৃত নাম হলো— প্রবোধ চন্দ্র দে
- “এমন একটা ঝিনুক খুঁজে পেলাম না”—গানটি গেয়েছেন— নির্মলা মিশ্র
- সত্যজিৎ রায়ের ‘পথের পাঁচালী’ ছবিটির সংগীত পরিচালনা করেছিলেন— রবি শংকর
- ‘মহীনের ঘোড়াগুলি’ প্রাদেশিক ব্যান্ডটির আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল— ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে
- বাংলা তথা ভারতের প্রথম প্রাদেশিক ভাষার ব্যান্ড হলো— মহীনের ঘোড়াগুলি
- যে ছবিতে নেপথ্য শিল্পী হিসেবে মান্না দের আত্মপ্রকাশ ঘটে, তা হলো— তমান্না
- শাক্ত সঙ্গীতের প্রথম ও প্রধান কবি হলেন— রামপ্রসাদ সেন
- ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারী’ গানটির রচয়িতা হলেন— আব্দল গফ্ফর চৌধুরী
- মাঝিমল্লার গানকে বলা হয়— ভাটিয়ালি
- ভাওয়াইয়া গানের বাদকদের যে নামে ডাকা হয়, তা হলো— বাউদিয়া
- ভাটিয়ালি গানের উদ্ভব হয়েছিল— অবিভক্ত বাংলায়
- বাংলা ভাষায় গজল রচনার পথিকৃৎ হলেন— অতুল প্রসাদ সেন
- গণসংগীতের শ্রেষ্ঠ শিল্পী সলিল চৌধুরী মূলত ছিলেন একজন— সুরকার
- ক্যালকাটা ইয়ুথ কয়্যারের জয়যাত্রা শুরু হয় যার নেতৃত্বে, তিনি হলেন— রুমা গুহঠাকুরতা
- ব্রতচারী গানের জনক হলেন— গুরুসদয় দত্ত
- ‘বলো বলো বলো সবে’ গানটি লিখেছেন— অতুলপ্রসাদ সেন
- ‘তুমি নির্মল কর’ গানটির রচয়িতা হলেন— রজনীকান্ত সেন
- ভারতীয় সঙ্গীত সমাজ প্রতিষ্ঠা করেন— জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ‘আমরা করব জয়’ (We shall overcome) গানের অনুবাদক বা রচয়িতা হলেন— শিবদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
- বাংলায় ‘খেয়াল’ চর্চা শুরু করেন— রঘুনাথ রায়
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রথম সংগীতশিক্ষক ছিলেন— বিষ্ণুচন্দ্র চক্রবর্তী
- অপেরা গানের প্রধান প্রচারক ছিলেন— মনোমোহন বসু
- জুড়ির গান প্রবর্তন করেন— মদনমোহন চট্টোপাধ্যায়
- ‘টপ্পা’ গানের প্রচলন করেছিলেন— নিধিবাবু
- একজন বিখ্যাত আখড়াই গানের শিল্পী হলেন— রামনিধি গুপ্ত
- ‘ঠুংরি’ গানের প্রবর্তক হিসেবে যাকে গণ্য করা হয়, তিনি হলেন— নবাব ওয়াজেদ আলি শাহ
- পাঁচালী ও কথকতারীতির সঙ্গে কীর্তন মিশিয়ে যে গান তৈরি হয়েছিল, তা হলো— ঢপ কীর্তন
- পক্ষীর দলের সবচেয়ে বিখ্যাত সদস্য বা গায়ক ছিলেন— রূপচাঁদ পক্ষী
- বাংলা সংগীতে রাগ-রাগিনীর সূত্রপাত ঘটে যে রচনায়, তা হলো— চর্যাগীতি
- সুন্দরবনের বাঘের দেবতা দক্ষিণরায়কে নিয়ে লেখা কাব্য হলো— রায়মঙ্গল
- কীর্তন গানের ক্ষেত্রে যে বাদ্যযন্ত্রটি অবশ্য প্রয়োজনীয়, তা হলো— শ্রীখোল
- আধুনিক পাঁচালীর রূপকার ছিলেন— লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাস ও গঙ্গানারায়ণ নস্কর
- পাঁচালী গানে প্রথম শাস্ত্রীয় রাগ ও তালের ব্যবহার করেছিলেন— লক্ষ্মীকান্ত বিশ্বাস
- হাফ-আখড়াই গানের জন্ম দেন— মোহনচাঁদ বসু
- ‘যাত্রা’ শব্দটির বর্তমান অর্থপ্রয়োগ প্রথম দেখা যায়— কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে
- যাত্রা গানের প্রচলন শুরু হয়— ষোড়শ শতাব্দীতে
- রশিদ খান যে গানের ধারায় বিশেষভাবে খ্যাত, তা হলো— বাংলা খেয়াল
- বাংলা ঠুংরির গায়ক হিসেবে যিনি বিখ্যাত, তিনি হলেন— বেগম আখতার
- বাংলায় ‘আকারমাত্রিক স্বরলিপি’-র প্রবর্তন করেন— জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর
- বাংলা গানের ‘সঞ্চারী’-র প্রবর্তন করেন— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ‘নবজীবনের গান’-এর রচয়িতা হলেন— জ্যোতিরিন্দ্র মৈত্র
- বাংলার একমাত্র সংগীত ঘরনা হিসেবে যা স্বনামধন্য, তা হলো— বিষ্ণুপুর ঘরনা
- ‘গীতরত্ন’ গীতি সংকলনটির রচয়িতা হলেন— রামনিধি গুপ্ত
- ‘মোদের গরব মোদের আশা / আ মরি বাংলা ভাষা’—গানটি যাঁর লেখা, তিনি হলেন— অতুলপ্রসাদ সেন
- বাংলা সাহিত্যে যিনি ‘কান্তকবি’ নামে পরিচিত, তিনি হলেন— রজনীকান্ত সেন
- ‘মায়ের দেওয়া মোটা কাপড় মাথায় তুলে নে রে ভাই’—গানটি যাঁর রচনা, তিনি হলেন— রজনীকান্ত সেন
- ‘যদি কুমড়ার মতো চালে ধরে রত পানতোয়া শত শত’—এই হাসির গানটির রচয়িতা হলেন— রজনীকান্ত সেন
- “গহন কুসুমকুঞ্জ-মাঝে” গানটির রচয়িতা হলেন— রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ‘The Disguise’ নাটকের বাংলা অনুবাদ ‘কাল্পনিক সংবদল’-এ যাঁর গান ব্যবহৃত হয়েছে, তিনি হলেন— ভারতচন্দ্র
- সত্যজিৎ রায়ের ‘জলসাঘর’ ছবির সংগীত নির্দেশক ছিলেন— বিলায়েৎ খাঁ
- গীতিকার হিসেবে সত্যজিৎ রায়ের আত্মপ্রকাশ ঘটে যে ছবিতে, তা হলো— গুপী গাইন বাঘা বাইন
- ঋত্বিক ঘটকের ‘অযান্ত্রিক’ ছবির সংগীত পরিচালনা করেন— আলি আকবর খাঁ
- ‘সুবর্ণরেখা’ ও ‘তিতাস একটি নদীর নাম’ ছবি দুটির সংগীত পরিচালনা করেন— বাহাদুর খাঁ
- নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে কিশোর কুমারের আত্মপ্রকাশ ঘটে যে ছবিতে, তা হলো— জিদ্দি
- ‘উঠগো ভারতলক্ষ্মী’ গানটির রচয়িতা হলেন— অতুলপ্রসাদ সেন
- ‘হও ধরমেতে ধীর’ গানটির রচয়িতা হলেন— অতুলপ্রসাদ সেন
- ‘খেয়াল’ একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো— যথেচ্ছাচার
- ‘ঢপ’ শব্দের অর্থ হলো— শুদ্ধ সৌষ্ঠবসম্পন্ন
বাঙালির বিজ্ঞান চর্চা
- ‘বঙ্গীয় বিজ্ঞান পরিষদ’ প্রতিষ্ঠা করেন— সত্যেন্দ্রনাথ বসু
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ‘বিশ্বপরিচয়’ গ্রন্থটি উৎসর্গ করেছিলেন— সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে
- ‘বেঙ্গল কেমিক্যালস’-এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন— প্রফুল্লচন্দ্র রায়
- ‘ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভিশন অফ সায়েন্স’ প্রতিষ্ঠা যার কীর্তি, তিনি হলেন— মহেন্দ্রলাল সরকার
- জগদীশচন্দ্র বসুর বিজ্ঞান বিষয়ক বাংলায় বিখ্যাত গ্রন্থ হলো— অব্যক্ত
- জগদীশচন্দ্র বসু ‘বসু বিজ্ঞান মন্দির’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন— ১৯১৭ সালে
- ‘ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইন্সটিটিউট’ প্রতিষ্ঠা করেন— প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ
- ‘বাঙালির মস্তিষ্ক ও তাহার অপব্যবহার’ গ্রন্থের লেখক হলেন— প্রফুল্লচন্দ্র রায়
- এদেশে প্লাস্টিক সার্জারির জনক হলেন— ডা. মুরারিমোহন মুখোপাধ্যায়
- কালাজ্বরের প্রতিষেধক ‘ইউরিয়া স্টিবামাইন‘ আবিষ্কার করেন— স্যার উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী
- এশিয়াটিক সোসাইটির প্রথম ভারতীয় সভাপতি ছিলেন— রাজা রাজেন্দ্রলাল মিত্র
- কুন্তলীন পুরস্কার প্রবর্তন করেন— হেমেন্দ্রমোহন বসু
- ‘প্রাচীন ভারতে বিজ্ঞানচর্চার নিদর্শন’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন— প্রফুল্লচন্দ্র রায়
- বাংলায় বিজ্ঞান রচনায় পথিকৃৎ পত্রিকা হলো— দিগ্দর্শন
- উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী যে শিল্পে অবদানের জন্য আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে পরিচিতি লাভ করেছিলেন, তা হলো— মুদ্রণশিল্প
- ‘ধাত্রীসহায়’, ‘অ্যানাটমি’, ‘সংক্ষিপ্ত ভেষজ তত্ত্ব’, ‘স্ত্রীরোগ চিকিৎসা’ গ্রন্থগুলির রচয়িতা হলেন— রাধাগোবিন্দ কর
- প্রথম ভারতীয় দূরবীন নির্মাতা হলেন— নগেন্দ্রনাথ ধর
- ‘সিরোসিস অব লিভার ইন চিলড্রেন’ প্রকাশ করেন— নীলরতন সেন
- এশিয়ার প্রথম মনোরোগ চিকিৎসক হলেন— গিরীন্দ্রশেখর বসু
- রাসায়নিক প্রস্তুতির ক্ষেত্রে পারদর্শিতার কারণে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় যাকে প্রথম ডি.এসসি (Doctor of Science) প্রদান করে, তিনি হলেন— রসিকলাল দত্ত
- “যারা বলেন যে, বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানচর্চা সম্ভব নয়, তাঁরা হয় বাংলা জানেন না, নয়তো বিজ্ঞান জানেন না”—এই উক্তিটি করেছেন— সত্যেন্দ্রনাথ বসু
- বাংলায় বিজ্ঞান জনপ্রিয় করার লক্ষ্যে ‘জ্ঞান ও বিজ্ঞান’ পত্রিকা প্রকাশ করেন— সত্যেন্দ্রনাথ বসু
- “A man of genius with a taste for literature and who is a scientist as well”—রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ কথা লিখেছিলেন যাঁর সম্পর্কে, তিনি হলেন— সত্যেন্দ্রনাথ বসু
- ভারতীয় বিজ্ঞান একাডেমির অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন— নীলরতন ধর
- বিজ্ঞানবিষয়ক গ্রন্থ ‘পৃথিবী’র রচয়িতা হলেন— স্বর্ণকুমারী দেবী
- এদেশে শবব্যবচ্ছেদ বিদ্যার পথিকৃৎ ছিলেন— মধুসূদন গুপ্ত
- এশিয়ার প্রথম ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপ নির্মাতা ছিলেন— নীরজনাথ দাশগুপ্ত
- আমাদের দেশে প্রথম বাষ্পীয় ইঞ্জিন নির্মাণ করেন— গোলকচন্দ্র নন্দী
- হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক হিসেবে ‘ধন্বন্তরী’ খ্যাতি লাভ করেছিলেন— মহেন্দ্রচন্দ্র নন্দী
- আধুনিক ভারতীয় রাশিবিজ্ঞানের জনক হলেন— প্রশান্তচন্দ্র মহলানবিশ
- রামানাথ শিকদার ছিলেন— হিন্দুকলেজের ছাত্র
- ভারতের কৃষি গবেষণাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নত করেন— নীলরতন ধর
- সর্বপ্রথম বাংলা মুদ্রা অক্ষর খোদাই করেছিলেন— পঞ্চানন কর্মকার
- ‘The Upper Atmosphere’ গ্রন্থের লেখক হলেন— শিশির কুমার মিত্র
- ‘টলস্টয় অব বেঙ্গল’ বলা হতো— মহেন্দ্রচন্দ্র নন্দী
- ‘বাংলার পাখী’ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন— জগদানন্দ রায়
- ‘Treatise of Kalaazar’ গ্রন্থটি রচনা করেন— স্যার উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী
- ‘Auxiliary Table’ গ্রন্থটি রচনা করেন— চারুচন্দ্র ভট্টাচার্য
- মনবিশ্লেষণের ওপর বাংলা ভাষায় লেখা প্রথম বই ‘স্বপ্ন’ রচনা করেন— গিরীন্দ্রশেখর বসু
- প্রথম পঞ্জিকা প্রকাশিত হয়েছিল— ১৮৮৬ সালে
- প্রেসিডেন্সি কলেজের পূর্বনাম ছিল— হিন্দু কলেজ
- হিন্দু কলেজ ও স্কুল বুক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৮১৭ সালে
- কোয়ান্টাম সংখ্যাতত্ত্বের জনক হিসেবে যে বাঙালি বৈজ্ঞানিক স্মরণীয়, তিনি হলেন— সত্যেন্দ্রনাথ বসু
- এশিয়াটিক সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল— ১৭৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১৫ই জানুয়ারি
- ‘অক্ষিতত্ত্ব’ গ্রন্থটি অনুবাদ করেছিলেন— লালমাধব মুখোপাধ্যায়
- নীলরতন সরকার যার সাথে যৌথভাবে ‘কলিকাতা মেডিক্যাল স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন, তিনি হলেন— সুরেশপ্রসাদ সর্বাধিকারী
- কারমাইকেল মেডিক্যাল কলেজের বর্তমান নাম হলো— আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ
- আর.জি.কর মেডিক্যাল কলেজের নামকরণ করা হয়— রাধাগোবিন্দ করের নামে
- বিজ্ঞানসম্মত দূষণমুক্ত ট্যানারি এবং সার ও সাবানের কারখানা স্থাপন করেছিলেন— নীলরতন সরকার
- এশিয়ার প্রথম সরকার স্বীকৃত বালিকা বিদ্যালয় হলো— বেথুন স্কুল
- কাদম্বিনী বসু ও চন্দ্রমুখী বসু প্রথম মহিলা স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন— ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দে
- কাদম্বিনী বসুর স্বামীর নাম হলো— দ্বারকানাথ গঙ্গোপাধ্যায়
- কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের প্রথম ছাত্রী হিসেবে ভর্তি হন— কাদম্বিনী বসু (১৮৮৪ খ্রি.)
- বিলিতি ডিগ্রিধারী প্রথম ভারতীয় মহিলা চিকিৎসক হলেন— কাদম্বিনী বসু
- উপেন্দ্রনাথ ব্রহ্মচারী যে বিষয়ে অনার্স-সহ বি.এ পাস করেছিলেন, তা হলো— গণিত
- যতীন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের ‘বাঘাযতীন’ নামকরণ করেছিলেন— সুরেশপ্রসাদ সর্বাধিকারী
- বাংলার লতাপাতা ও শাকসবজির ভেষজ গুণাবলী বিষয়ে গবেষণা করেছিলেন— চুনীলাল বসু
- ‘রসায়নাচার্য’ উপাধি পেয়েছিলেন— চুনীলাল বসু
- কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে সাহিত্যিক ‘বনফুল’ শিক্ষক হিসেবে পেয়েছিলেন— বনবিহারী মুখোপাধ্যায়
- সাহিত্যিক ‘বনফুল’ তাঁর শিক্ষক বনবিহারীর স্মৃতি চিরন্তন করে রেখেছেন যে উপন্যাসে, তা হলো— অগ্নীশ্বর
- ডঃ বিধানচন্দ্র রায় ‘ভারতরত্ন’ পেয়েছিলেন— ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে
- ‘চিকিৎসক দিবস’ হিসেবে পালিত হয়— ১লা জুলাই
- বস্ত্রবয়ন যন্ত্রের আবিষ্কর্তা হলেন— সীতানাথ ঘোষ
- নীরোদচন্দ্র চৌধুরী তাঁর আত্মজীবনীতে যাঁর অবদানের কথা বলেছেন, তিনি হলেন— মহেন্দ্রচন্দ্র নন্দী
- ভারতবর্ষে হাফটোন ব্লকের প্রবর্তন করেন— উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
- বাংলায় প্রথম অস্থি ও শরীরবিদ্যার গ্রন্থ হলো— ফেলিক্স কেরির বিদ্যাহারাবলী
- ‘কলকাতার বিশ্বকর্মা’ বলে পরিচিত ছিলেন— বিপিনবিহারী দাস
- ‘বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট’-এর প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন— প্রমথনাথ বসু
- উদ্ভিদের চেতনা ও অনুভূতি নিয়ে গবেষণা করেছিলেন— জগদীশচন্দ্র বসু
- জগদীশচন্দ্র বসু আবিষ্কার করেন— ক্রেসকোগ্রাফ ও স্ফিগ্মোগ্রাফ যন্ত্র
- খাবারে ভেজাল নির্ণয়ের রাসায়নিক পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন— প্রফুল্লচন্দ্র রায়
- মারকিউরাস নাইট্রেট আবিষ্কার করেন— প্রফুল্লচন্দ্র রায়
- প্রফুল্লচন্দ্র রায় পারদ সংক্রান্ত যতটি মিশ্র ধাতু আবিষ্কার করেছিলেন, তার সংখ্যা হলো— ১১টি
- ‘সুপার ফসফেট অব লাইম’ তৈরি করেছিলেন— প্রফুল্লচন্দ্র রায়
- ‘History of Hindu Chemistry’ গ্রন্থটি লিখেছেন— প্রফুল্লচন্দ্র রায়
- ‘ইন্সটিটিউট অব নিউক্লিয়ার ফিজিক্স’ প্রতিষ্ঠা করেন— মেঘনাদ সাহা
- ‘ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অফ সায়েন্স’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন— মেঘনাদ সাহা
বাঙালির ক্রীড়া সংস্কৃতি
- আধুনিককালে ভারতে কুস্তির চর্চা শুরু হয়েছিল— বরোদায়
- যে স্থানে কুস্তি সংঘটিত হয়, সেই স্থানকে বলা হয়— আখড়া
- ভারতীয় কুস্তি ফেডারেশন বা রেসলিং ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়া গড়ে ওঠে— ১৯৪৮ সালে
- বঙ্গে আখড়া সংস্কৃতির প্রচলনের পথিকৃৎ হলেন— অম্বিকাচরণ গুহ
- বিখ্যাত কুস্তিগীর গোবর গুহের আসল নাম হলো— যতীন্দ্রচরণ গুহ
- বাঙালি প্রথম ফুটবল ক্লাব হলো— শোভাবাজার ক্লাব
- বাঙালিদের মধ্যে প্রথম ফুটবলে পা ছোঁয়ান— নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী
- মোহনবাগান ক্লাব প্রথম আই.এফ.এ (IFA) শিল্ড জয় করেছিল— ১৯১১ সালে
- ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (আই.এফ.এ) গড়ে ওঠে— ১৮৯৩ সালে
- গোষ্ঠ পাল যে খেলার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, তা হলো— ফুটবল
- বাংলা ক্রিকেটের জনক বলা হয়— সারদারঞ্জন রায়চৌধুরী
- যাকে ‘বাঙালি ডব্লিউ জি গ্রেস’ বলা হতো, তিনি হলেন— সারদারঞ্জন রায়চৌধুরী
- সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের অধিনায়কত্বে ভারত যে সালে ক্রিকেট বিশ্বকাপের ফাইনালে পৌঁছায়, তা হলো— ২০০৩ সালে
- ‘চাকদা এক্সপ্রেস’ নামে পরিচিত হলেন— ঝুলন গোস্বামী
- ২০০৭ সালে আই.সি.সি. (ICC)-র সেরা মহিলা খেলোয়াড় হিসেবে নির্বাচিত হন— ঝুলন গোস্বামী
- প্রথম ভারতীয় সাঁতারু হিসেবে অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করেন— ডি ডি মুলজি
- প্রথম ভারতীয় হিসেবে সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল পার হন— মিহির সেন
- হকির জাদুকর বলা হয়— ধ্যানচাঁদকে
- ‘গোল’ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন— ধ্যানচাঁদ
- যে খেলার পূর্ব নাম ছিল ‘পিং পং’, তা হলো— টেবিল টেনিস
- উত্তরবঙ্গের টেবিল টেনিসের শহর বলা হয়— শিলিগুড়িকে
- ‘ডেভিস কাপ’ যে খেলার সঙ্গে যুক্ত, তা হলো— টেনিস
- পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হন— দিব্যেন্দু বড়ুয়া
- ‘টমাস কাপ’ যে খেলার সঙ্গে যুক্ত, তা হলো— ব্যাডমিন্টন
- ভারত সরকার জ্যোতির্ময়ী শিকদারকে যে পুরস্কারে সম্মানিত করেন, তা হলো— রাজীব গান্ধী খেলরত্ন
- ব্রতচারী আন্দোলনের উদ্ভাবক ছিলেন— গুরুসদয় দত্ত
- বাঙালি প্রচেষ্টায় প্রথম স্বদেশীয় ‘ন্যাশনাল সার্কাস’ গড়ে তোলেন— নবগোপাল মিত্র
- প্রথম নারী যিনি বাঘের খাঁচায় ঢুকে নির্ভয়ে বাঘের খেলা দেখিয়েছিলেন, তিনি হলেন— সুশীলা সুন্দরী
- আধুনিক ম্যাজিকের জনক বলা হয়— গণপতি চক্রবর্তীকে
- জাদুর অস্কার নামে পরিচিত ‘দ্য ফিনিক্স’ পুরস্কার লাভ করেন— পি সি সরকার
- কুস্তি প্রথম শুরু হয়েছিল— ভারতে
- বাংলায় ও ভারতে প্রথম শৌখিন কুস্তি প্রতিযোগিতা প্রচলিত হয়— ১৯৩৪ সালে
- ভারতের প্রথম বিশ্ব কুস্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল— মহারাজা নৃপেন্দ্রনারায়ণের চেষ্টায়
- বিশ্বের শ্রেষ্ঠ কুস্তিগীর হিসেবে প্রথম স্বীকৃতি লাভ করেন— করিম বক্স
- কুস্তি বা মল্লযুদ্ধ অলিম্পিকে বিশেষ জায়গা করে নেয়— এথেন্স অলিম্পিকে (১৮৯৬)
- ভারতীয় কুস্তির কয়েকটি প্রধান প্যাঁচ হলো— ধোঁকা, টিব্বি, গাধানেট, ঢাক, টাং, পাট, ধোবা পাট, কুল্লা ও রদ্দা
- ফুটবল খেলার জন্ম হয়েছিল— ইংল্যান্ডে
- বাংলা তথা ভারতের প্রথম ফুটবল ক্লাব স্থাপিত হয়— ১৮৭২ সালে (ক্যালকাটা এফ্ সি)
- মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৮৯২ সালে
- ইস্টবেঙ্গল ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়— ১৯২০ সালে
- বাঙালি যুবকদের নিয়ে রাগবি দল প্রথম তৈরি করেছিলেন— নগেন্দ্রপ্রসাদ সর্বাধিকারী
- আধুনিক ফুটবলের সূতিকাগার হলো— ইংল্যান্ড
- বাংলার হয়ে খেলা কয়েকজন স্বনামধন্য ফুটবলার হলেন— পিটার থঙ্গরাজ, তরুণ বোস, ভাস্কর গাঙ্গুলি, গোষ্ঠ পাল, শৈলেন মান্না, চুনী গোস্বামী ও পি. কে. ব্যানার্জি
- বিশ্বের প্রথম টেস্ট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছিল মেলবোর্নে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের মধ্যে— ১৮৭৭ সালে
- ‘ক্রিকেট খেলা’ বইটির লেখক হলেন— সারদারঞ্জন রায়চৌধুরী
- পঙ্কজ রায় ছিলেন একজন— ডান হাতি ব্যাটসম্যান
- অম্বর রায় ছিলেন একজন— বাঁহাতি ব্যাটসম্যান
- সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় তাঁর বর্ণময় কেরিয়ারে যে পরিমাণ টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলেছেন, তা হলো— ১১৩টি টেস্ট ম্যাচ ও ৩১১টি একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ
- সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের মোট রানসংখ্যা হলো— টেস্টে ৭২১২ রান এবং একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচে ১১৩৬৩ রান
- সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় পদ্মশ্রী সম্মান পান— ২০০৪ সালে
- প্রতিযোগিতামূলক সাঁতারের সূত্রপাত হয়েছিল— লন্ডনে (১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে)
- সাঁতরে প্রথম ইংলিশ চ্যানেল পার হন— ম্যাথু ওয়েব
- এশিয়ার প্রথম মেয়ে হিসেবে সাঁতরে ইংলিশ চ্যানেল পার হন— আরতি সাহা (১৯৫৯ সালে)
- পরপর যে কয়টি অলিম্পিকে বিজয়ী হয়ে সম্মান অর্জন করে ভারতীয় হকি দল, তার সংখ্যা হলো— ৬টি
- অলিম্পিক সোনাজয়ী ভারতীয় হকি দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন— লেসলি ক্লডিয়াস
- বেটন কাপ যে খেলার সঙ্গে যুক্ত, তা হলো— হকি
- বেঙ্গল টেবিল টেনিস অ্যাসোসিয়েশন গড়ে উঠেছিল— ১৯৩৪ সালে
- টেবিল টেনিসের দ্রোণাচার্য বলা হয়— ভারতী ঘোষকে
- পৌলমী ঘটক ও অঙ্কিতা দাস যে খেলার সঙ্গে যুক্ত, তা হলো— টেবিল টেনিস
- টেনিস খেলার সৃষ্টি হয়েছিল— ফ্রান্সে
- বর্তমান টেনিস খেলার আবিষ্কর্তা হলেন— উইংফিল্ড
- রামায়ণের কাহিনি অনুযায়ী দাবা খেলার স্রষ্টা হলেন— রাবণের স্ত্রী মন্দোদরী
- ভারতবর্ষের প্রাচীনতম দাবা খেলার ক্লাব হলো— ক্যালকাটা চেস ক্লাব
- খো খো খেলার সূত্রপাত হয়েছিল— পশ্চিম ভারতে
- ভলিবল খেলার উদ্ভব হয়েছিল— ম্যাসাচুসেটসের হলিওকে
- ভারতের সবচেয়ে পুরনো প্রথম ব্যাডমিন্টন ক্লাব হলো— ক্যালকাটা ব্যাডমিন্টন ক্লাব
- মধুমিতা গোস্বামী যে খেলার সঙ্গে যুক্ত, তা হলো— ব্যাডমিন্টন
- পশ্চিমবঙ্গে কবাডির প্রচারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন— নারায়ণ চন্দ্র ঘোষ
- দোলা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাহুল বন্দ্যোপাধ্যায় যে খেলার সঙ্গে যুক্ত, তা হলো— তিরন্দাজি
- শ্যুটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত দুজন বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব হলেন— সোমা দত্ত ও জয়দীপ কর্মকার
- ‘গ্রেট বেঙ্গল সার্কাস’ গড়ে তুলেছিলেন— প্রিয়নাথ বসু
- ‘প্রফেসর বোস’ নামে পরিচিতি লাভ করেছিলেন— প্রিয়নাথ বসু
- সুশীলা সুন্দরীর প্রদর্শনীতে থাকা দুটি বাঘের নাম ছিল— লক্ষ্মী ও নারায়ণ
- ‘বাঙালি সার্কাস’ গ্রন্থের রচয়িতা হলেন— অবনীন্দ্রকৃষ্ণ বসু
- ‘যাদুবিদ্যা’ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন— গণপতি চক্রবর্তী
- পি সি সরকারের পুরো নাম হলো— প্রতুলচন্দ্র সরকার
- যাদুসম্রাট নামে পরিচিত হলেন— পি সি সরকার
- বর্তমানে বাংলা তথা ভারতবর্ষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ জাদুশিল্পী হলেন— পিসি সরকার জুনিয়র
