নদীর বিদ্রোহ – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
মক টেস্ট: নদীর বিদ্রোহ
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় | মূলগ্রন্থ: সরীসৃপ
১. “নদেরচাঁদকে পিষিয়া দিয়া চলিয়া গেল”—
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ক) ৭ নং ডাউন প্যাসেঞ্জার
২. নদেরচাঁদ গর্ব অনুভব করত—
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ক) নতুন রং করা ব্রিজটির জন্য
৩. নদেরচাঁদের বয়স—
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: খ) ৩০ বছর
৪. নদীর বিদ্রোহের কারণ ছিল—
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: গ) বন্দিদশা থেকে মুক্তি
৫. নদেরচাঁদ স্টেশনমাস্টারের চাকরি করছে –
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ক) চার বছর
৬. দুইদিন ধরে স্ত্রীকে লেখা নদেরচাঁদের চিঠির পৃষ্ঠা সংখ্যা ছিল—
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ঘ) পাঁচটি
৭. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পটির মূলগ্রন্থ—
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ক) সরীসৃপ
৮. “নদেরচাঁদের ভারি আমোদ বোধ হইতে লাগিল।”– কারণ —
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: গ) নদীর স্ফীত রূপ দেখে
৯. নদেরচাঁদ তার কর্মস্থলের কাছের নদীটিকে কত বছর চেনে?
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: খ) চার বছর
১০. “যেন নিজের এই পাগলামিতে আনন্দ উপভোগ করে”- এখানে নদেরচাঁদের যে পাগলামির কথা বলা হয়েছে?
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ক) নদীর জন্য পাগলামি
১১. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা প্রথম ছোটোগল্প-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ঘ) অতসী মামী
১২. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রকৃত নাম-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ক) প্রবোধকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়
১৩. ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্পে প্যাসেঞ্জার ট্রেনটি—
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: খ) চারটে পঁয়তাল্লিশের
১৪. স্টেশন থেকে নদীর দূরত্ব ছিল-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: খ) এক মাইল
১৫. অবিরত বর্ষণের ফলে নদীকে নদেরচাঁদ কতদিন দেখতে পায়নি?-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ক) পাঁচ দিন
১৬. “বড়ো ভয় করিতে লাগিল নদেরচাঁদের”-ভয়ের কারণ-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: খ) যদি ব্রিজ ভেঙে যায়
১৭. নদের চাঁদ নদীকে এত ভালোবাসে, কারণ-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: ঘ) ‘ক’ ও ‘খ’ নির্ভুল
১৮. ‘নদেরচাঁদের ভারি আমোদ বোধ হইতে লাগিল।’- কারণ-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: গ) নদীর স্ফীতরূপ দেখে
১৯. ‘বড়ো ভয় করিতে লাগিল নদেরচাঁদের। ভয়ের কারণ ছিল-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: গ) নদীর প্রতিহিংসা
২০. নদীর বিদ্রোহের কারণ ছিল-
উত্তর দেখুন
সঠিক উত্তর: গ) বন্দিদশা থেকে মুক্তি
কমবেশি ২০ টি শব্দের মধ্যে উত্তর দাও:
১) “আমি চললাম হে” – নদেরচাঁদ কখন এ কথা বলেছিল?
২) “নদেরচাঁদ স্তম্ভিত হইয়া গেল” – কেন সে স্তম্ভিত হয়েছিল?
৩) “নদেরচাঁদের ভারি আমোদ হইতে লাগিল।” – নদেরচাঁদের আমোদের কারণ কী ?
৪) কোন শব্দ শুনে নদেরচাঁদের শরীর অবশ ও অবসন্ন হয়েছিল?
৫) ‘মানুষ কি তাকে রেহাই দিবে?’ – কেন এই উক্তি?
৬) ” ছেলেমানুষের মতো ঔৎসুক্য বোধ করিতে লাগিল।”- কে, কী জন্য ?
৭) নদেরচাঁদের মৃত্যু হয় কীভাবে?
৮) ” নদীকে এইভাবে ভালোবাসিবার একটা কৈফিয়ৎ নদেরচাঁদ দিতে পারে । ” – কী কৈফিয়ৎ দিয়েছিল?
৯) ” লোভটা সে সামলাইতে পারিল না।”- কোন লোভ ?
১০) ” সে প্রায় কাঁদিয়া ফেলিয়াছিল।”-কে, কেন, কীভাবে কেঁদেছিল ?
১১) “বড়ো ভয় করিতে লাগিল নদেরচাঁদের”- এই ভয়ের কারণ কী ?
১২) ” নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে। “– ‘নদীর বিদ্রোহের কারণ’ কী ছিল?
১৩) “চিঠি পকেটেই ছিল” – কোন চিঠির কথা বলা হয়েছে ?
১৪) “আজও সে সেইখানে গিয়া বসিল”- উদ্দিষ্ট ব্যক্তি কোথায় গিয়ে বসেছিল ?
প্রসঙ্গ নির্দেশসহ কমবেশি ৬০টি শব্দে উত্তর দাও :
১) “নদীর বিদ্রোহের কারণ সে বুঝিতে পারিয়াছে। “– কে বুঝতে পেরেছে? নদীর বিদ্রোহ বলতে সে কী বোঝাতে চেয়েছে?
২) “বড়ো ভয় করতে লাগলো নদেরচাঁদের। “- নদেরচাঁদ কে? তার ভয়ের কারণ কী?
৩) “নদেরচাঁদের ভারী আমোদ বোধ হইতে লাগিল। “- আমোদের কারণ কী? আমোদের বশে সে কী করেছিল?
৪) “নদীকে এইভাবে ভালোবাসিবার একটা কৈফিয়ৎ নদেরচাঁদ দিতে পারে। “– নদীকে ভালোবাসার কী কৈফিয়ৎ নদেরচাঁদ দিয়েছিল?
কমবেশি ১৫০ শব্দে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও:
১. “নদীকে এভাবে ভালোবাসিবার একটা কৈফিয়ত নদেরচাঁদ দিতে পারে।” নদেরচাঁদ কী কৈফিয়ত দিতে পারে? এভাবে ভালোবাসার কী পরিণতি হয়? ২+৩
উঃ উদ্ধৃত অংশটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্প থেকে নেওয়া হয়েছে।
গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র নদেরচাঁদ পেশায় একজন স্টেশন-মাস্টার। নদীর সঙ্গে তার আবাল্য সখ্য। সে নদীর ধারে জন্মেছে, মানুষ হয়েছে, আর সর্বোপরি নদীকে সে ভালোবেসেছে। তাই নদীর প্রতি নদেরচাঁদের আকর্ষণ, মায়া, মমত্ববোধ চিরদিনের। ছোটোবেলায় দেখা দেশের ছোটো ক্ষীণস্রোতা নদীটিকে সে পরমাত্মীয়ার মতো ভালোবেসেছিল। নদেরচাঁদের এই নদীপ্রেমই স্টেশন-সংলগ্ন নদীর প্রতি তার অনুরাগের কারণ।
পাঁচদিনের অনবরত বৃষ্টির পর নদীর এক ভয়ংকর রূপ দেখেছিলেন নদেরচাঁদ। বর্ষার জলে পুষ্ট হয়ে নদীর পঙ্কিল জলরাশি ব্রিজের থামে বাধা পেয়ে ফেনিল উচ্ছ্বাসে আবর্তিত হয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর উন্মত্ত উত্তাল জলধারাকে নদেরচাঁদের জীবন্ত মনে হয়েছিল। নদী যেন বিদ্রোহ করেছিল। নদী তার পথের সমস্ত বাধা-ব্রিজ, উচু বাঁধ সবকিছুকে ভেঙে ভাসিয়ে স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত হতে চাচ্ছিল। নদেরচাঁদের মনে হয়েছিল নদীর পথে বাধার জন্যই সে ক্ষীণস্রোতা হয়ে পড়েছিল। নদেরচাঁদের মনে হয়, এই ব্রিজের কোনো প্রয়োজন নেই। সে চেয়েছিল নদী তার স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত হোক। এইসব ভাবতে ভাবতে নদেরচাঁদ যখন নিজের অস্তিত্বকে ভুলে উদাস হয়ে রেললাইন ধরে হেঁটে চলেছিল তখন ৭নং ডাউন প্যাসেঞ্জার ট্রেন তাকে পিষে দিয়ে চলে যায়।যন্ত্রসভ্যতার বিরুদ্ধে তার এই মনোভাবের ফলস্বরূপ জীবন দিয়ে মূল্য চোকাতে হয়েছিল নদেরচাঁদকে।
২) “নিজের এই পাগলামিতে যেন আনন্দই উপভোগ করে। “– নিজের বলতে এখানে কার কথা বলা হয়েছে? তার পাগলামির পরিচয় দাও।
৩) ‘নদীর বিদ্রোহ’ গল্প অবলম্বনে নদীর প্রতি নদেরচাঁদের অকৃত্রিম ভালোবাসার পরিচয় দাও।
