Class -12 Suggestion Sem-4
H.S Bengali Suggestion – 2026
উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা সাজেশন -২০২৬

শ্রেণি – দ্বাদশ
সেমেস্টার – ৪ পূর্ণমান– ৪০
১. একশো পঞ্চাশ শব্দে যে–কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। ৫x১=৫
হলুদ পোড়া – মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
১.১ ছোটোগল্প হিসেবে ‘হলুদ পোড়া’ গল্পটি কতদূর সার্থক তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো। ৫
১.২ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হলুদ পোড়া’ গল্প অবলম্বনে ধীরেন চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।
১.৩ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হলুদ পোড়া’ গল্প অবলম্বনে কুঞ্জ চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।
১.৪ হলুদ পোড়া’ গল্প অবলম্বনে নবীন চরিত্রটির পরিচয় দাও।
১.৫ “মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘হলুদপোড়া’ গল্পটি একটি অতিপ্রকৃত গল্প না কুসংস্কারে আচ্ছন্ন মানুষের স্বাভাবিক পরিণতি-আলোচনা করো।
১.৬ হলুদ পোড়া গল্পে গ্রামবাংলার সমাজচিত্র কীভাবে ফুটে উঠেছে, তা আলোচনা করো।
অথবা, “একটুখানি বাস্তব সত্যের, খাদের অভাবে নানা জনের কল্পনা ও অনুমানগুলি গুজব হয়ে উঠতে উঠতে মুষড়ে যায়।- এই বক্তব্য থেকে গ্রাম সমাজের কোন্ জীবনসত্যের প্রকাশ ঘটেছে, বুঝিয়ে দাও।
১.৭ “সে বছর কার্তিক মাসের মাঝামাঝি তিন দিন আগে পরে গাঁয়ে দু’দুটো খুন হয়ে গেল।”- কারা খুন হল? কীভাবে তাদের মৃত্যু ঘটেছিল?”
অথবা, “মানুষের বিস্ময় ও কৌতূহলের সীমা রইল না।”- ‘হলুদ পোড়া’ গল্পে কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিস্ময় ও কৌতূহল উৎপন্ন হয়েছিল ?
১.৮ “আমায় মেরো না।”- কে, কখন এমন আর্তি প্রকাশ করেছিল? তার এমন আর্তির কারণ কী?
১.৯ “আমি বলাই চক্রবর্তী শুভ্রাকে আমি খুন করেছি”-বক্তা ধীরেনের এই স্বীকারোক্তির মধ্য দিয়ে তার জীবনের কোন্ সত্যটিকে লেখক তুলে ধরেছেন?
১.১০ ‘হলুদ পোড়া’ গল্পটির নামকরণের সার্থকতা আলোচনা কর ।
হারুন সালেমের মাসি – মহাশ্বেতা দেবী
১.১১ “এইসব সময়ে গৌরবির বড়ো কষ্ট হয়। ও রেললাইনের দিকে চেয়ে থাকে।”-গৌরবির বড়ো কষ্ট হয় কেন? তার রেললাইনের দিকে চেয়ে থাকার কারণ কী?
১.১২ “কি ভয়ানক প্রতিহিংসা নিবারণের, কিছুই ও ভোলে না।”- কী কারণে নিবারণের প্রতিহিংসা? সে কীভাবে প্রতিহিংসা মিটিয়েছিল?
অথবা, “বাপছেলেতে খুব বেধেছিল। কী নিয়ে বাপ-ছেলেতে বেধেছিল? ভবিষ্যতে তার পরিণাম কী হয়েছিল?
১.১৩ “বড়ো দুঃখ হল গৌরবির।”- গৌরবির অবস্থার সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। তার দুঃখ হল কেন?
১.১৪ “তার স্বর্গ আর হারার মা-র স্বর্গ কি এক হতে পারে?”- কোন অবস্থাকে স্বর্গ মনে হয় গৌরবির? স্বর্গ সম্পর্কে এরূপ প্রশ্ন তার মনে জাগত কেন?
১.১৫ “এখন ওর হারার মা-র ওপর রাগ হল।”-গৌরবির রাগের কারণ ব্যক্ত করা।
অথবা, “খুব রাগ হতে লাগল গৌরবির”- গৌরবির রাগ হল কেন? সেই রাগ বেশিক্ষণ স্থায়ী না হওয়ার কারণ কী?
অথবা, “এখন জাত বা কেমন করে থাকে, ধর্মের বা কি হয়!”- গৌরবির এমন ভাবনার কারণ ব্যক্ত করো।
১.১৬ “গৌরবির শুকনো বুকে যেন কিসের ঢেউ লাগল!”- উক্তিটির মধ্য দিয়ে বক্তার মনোভাব ব্যক্ত করো।
অথবা, “নিজেকে বড়ো প্রয়োজনীয় মনে হল হঠাৎ।”- কোন্ পরিপ্রেক্ষিতে উদ্দিষ্ট ব্যক্তির নিজেকে প্রয়োজনীয় মনে হল? এমন মনে হওয়ার কারণ লেখো।
১.১৭ মাতৃত্বের কাছে, জাতপাতের সংস্কার কীভাবে অর্থহীন হয়ে যায়, তা ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্প অবলম্বনে আলোচনা করো।
অথবা, ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্প অনুসরণে গৌরবির মাতৃসত্তার পরিচয় দাও।
১.১৮ ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্পের গৌরবি চরিত্র আলোচনা করো।
১.১৯ হারুন সালেমের মাসি’ গল্পের নিবারণ চরিত্রটির বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো।
১.২০ “কী বিপদ, কী বিপদ। ওর নিজের বলতে কেউ নেই।”-কে কোন্ বিপদের কথা ভেবেছে? যাকে কেন্দ্র করে বিপদের কথা ভেবেছে তার কী ব্যবস্থা সে করেছিল?
২. অনধিক একশো পঞ্চশ শব্দে যে–কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। ৫×১=৫
প্রার্থনা – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
২.১ ‘প্রার্থনা’ কবিতায় কবি কীভাবে ভারতবর্ষকে স্বর্গে জাগরিত করার কথা বলেছেন, তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো। ৫
২.২ “চিত্ত যেথা ভয় শূন্য উচ্চ যেথা শির”- কোন্ প্রসঙ্গে কবি এ কথা বলেছেন ? মন্তব্যটি ব্যাখ্যা করো।
২.৩ “নিত্য যথা তুমি সর্ব কর্ম চিন্তা আনন্দের নেতা”- এই নেতাকে উদ্দেশ করে কবি কী প্রার্থনা করেছেন। এখানে কবির যে ঈশ্বরবোধের প্রকাশ ঘটেছে তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো।
২.৪ “ভারতের এই সেই স্বর্গে করো জাগরিত”- কাকে উদ্দেশ করে কবি এ কথা বলেছেন? মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
২.৫ ‘প্রার্থনা’ কবিতার মূল বক্তব্য সংক্ষেপে আলোচনা করো।
তিমিরহননের গান – জীবনানন্দ দাশ
২.৬ ‘তিমিরহননের গান’ কবিতাটি কোন প্রেক্ষাপটে লেখা? কবি কেন ‘তিমিরবিলাসী’ নয়, ‘তিমিরবিনাশী’ হতে চেয়েছেন? ২+৩=৫
২.৭ “সেই সব রীতি আজ মৃতের চোখের মতো”– কোন রীতির কথা কবি বলতে চেয়েছেন ? তাকে মৃতের চোখের মতো মনে হয়েছে কেন ? ৩+২=৫
২.৮ ‘তিমির হননের গান’ কবিতার মাধ্যমে কবি সমাজকে কোন বার্তা দিতে চেয়েছেন ? এখানে কবিসত্তার প্রকাশ ঘটেছে কীভাবে লেখো । ৩+২=৫
২.৯ “জীবিত বা মৃত রমণীর মতো ভেবে-অন্ধকারে -মহানগরীর মৃগনাভি ভালোবাসি।”– প্রসঙ্গ উল্লেখ করে, উদ্ধৃতাংশটির তাৎপর্য আলোচনা করো। ২+৩=৫
২.১০ “সূর্যালোক নেই তবু সূর্যালোক মনোরম মনে হলে হাসি” ‘সূর্যালোক নেই’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন। মন্তব্যটির মধ্য দিয়ে কবি কী বোঝাতে চেয়েছেন ?
কেন এল না – সুভাষ মুখোপাধ্যায়
২.১১ “একটু এগিয়ে দেখবে বলে ছেলেটা রাস্তায় পা দিল।”-কোন ছেলেটি কেন রাস্তায় পা দিয়েছিল। রাস্তায় পা দিয়ে তার কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল? ২+৩=৫
অথবা, “ছেলেটা দেখে আসতে গেল।”-ছেলেটা কী দেখে আসতে গিয়েছিল? তার পরিণাম কী হয়েছিল? ৩+২
২.১২ ‘কেন এলো না’ কবিতায় ছেলেটির সমস্ত দিনের অপেক্ষায় এবং তার করুণ পরিণতির আলোকে কবিতাটির বিষয় ভাবনা আলোচনা করো।
২.১৩ “মৃত্যুর পাশ কাটিয়ে বাবা এল। ছেলে এল না।”-ছেলেটি কোথায় গিয়েছিল? বাবা বাড়ি ফিরলেও ছেলে ফিরল না কেন?
৩. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যে–কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। ৫×১=৫
নানা রঙের দিন – অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়
৩.১ “অভিনেতা মানে একটা চাকর-একটা জোকার, একটা ক্লাউন। লোকেরা সারাদিন খেটেখুটে এলে তাদের আনন্দ দেওয়াই হল নাটক-ওয়ালাদের একমাত্র কর্তব্য।”-বক্তার কথার তাৎপর্য আলোচনা করো। ৫
৩.২ ‘নানা রঙের দিন’ নাটক অবলম্বনে রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্র বিশ্লেষণ করো। ৫
অথবা,“দেখেছ রজনী চাটুজ্জে ইজ রজনী চাটুজ্জে–মরা হাতি সোয়া লাখ।”- উক্তিটির আলোকে রজনী চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।
৩.৩ ‘আমাদের দিন ফুরিয়েছে’- কে কোন প্রসঙ্গে এই উক্তি করেছেন? বক্তার এই উপলব্ধির কারণ ব্যাখ্যা কর।
অথবা, “প্রাক্তন অভিনেতা রজনী চ্যাটুজ্জের প্রতিভার অপমৃত্যুর করুণ সংবাদ”- উক্তিটি কে করেছিলেন ? এই অপমৃত্যু কীভাবে ঘটেছিল বলে বক্তা মনে করেন ?
৩.৪ “সেই রাত্রেই জীবনে প্রথম মোক্ষম বুঝলাম যে, যারা বলে ‘নাট্যাভিনয় একটি পবিত্র শিল্প’- তারা সব গাধা”- বক্তার এই মনোভাবের কারণ কী?
অথবা “তোমার ওই পাবলিক… কাউকে বিশ্বাস করিনা”- বক্তার বিশ্বাস না করার কারণ কী ?
৩.৫ “আপনার মতো লোকের এত দুঃখ …।”-কে কাকে একথা বলেছে? উদ্দিষ্ট ব্যক্তির দুঃখের বর্ণনা দাও।
৩.৬ “এই তো জীবনের সত্য কালীনাথ।”- জীবনের সত্য বলতে বক্তা কী বুঝিয়েছেন? বক্তা কীভাবে জীবনের এই সত্যে উপনীত হলেন তা নাটক অনুসরণে লেখো।
৩.৭ “শিল্পকে যে মানুষ ভালোবেসেছে–তার বার্ধক্য নেই কালীনাথ।”-কোন প্রসঙ্গে কথাটি বলা হয়েছে? উক্তিটির তাৎপর্য লেখো ।
৩.৮ “ওরই মধ্যে কোথাও যেন আগুন লুকিয়েছিল।”- কোন প্রসঙ্গে কে একথা বলেছে? বক্তার এমন মন্তব্যের কারণ কী ?
অথবা, “একদিন একটা মেয়ে থিয়েটার দেখে প্রেমে পড়লো আমার।” বক্তা মেয়েটির রূপের যে বর্ণনা দিয়েছেন তা লেখো। প্রেমের পরিণতি কী হয়েছিল ?
অথবা, “সে কী আশ্চর্য মেয়ে কেমন করে বোঝাবো তোমাকে?”-মেয়েটি সম্পর্কে বস্তার অনুভূতির পরিচয় দিয়ে ঘটনার পরিণতি কী হয়েছিল লেখো
৩.৯ “ধু ধু করা দুপুরে জ্বলন্ত মাঠে বাতাস যেন একা যেমন সঙ্গীহীন” তেমনই অভিনেতা রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের একাকিত্ব ও নিঃসঙ্গতার মে করুণ ছবি ‘নানা রঙের দিন’ নাটকে ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো।
৩.১০ “আমি রোজ লুকিয়ে লুকিয়ে গ্রিনরুমে ঘুমোই” বক্তা কাকে কথা বলেছেন ? তিনি কেন গ্রিনরুমে ঘুমান?
৪. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যে–কোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও। ৫x২=১০
ডাকঘর – রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
৪.১ কীভাবে রাজার চিঠি অমলের কাছে এসে পৌঁছোল ‘ডাকঘর’ নাটক অবলম্বনে তা নিজের ভাষায় বিশ্লেষণ করো। ৫
৪.২ ‘ডাকঘর’ নাটকে অমলকে কবিরাজ বাইরে বেরোতে নিষেধ করেছিলেন কেন? অমলের সঙ্গে ছেলের দলের কথোপকথন নিজের ভাষায় লেখো। ২+৩
৪.৩ ‘ডাকঘর’ নাটকে অমল চরিত্রটি তোমার কীরূপ লাগে তা নিজের ভাষায় বর্ণনা করো। ৫
অথবা, অমল চরিত্র
৪.৪ ‘ডাকঘর’ নাটকের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। ৫
৫. “আমার কি দাঁড়াবার জো আছে! বেলা বয়ে যায় যে।”- বক্তার দাঁড়াবার জো নেই কেন? পরবর্তী কথোপকথনে অমলের সঙ্গে তার যেরূপ সখ্য স্থাপন হতে দেখা গিয়েছিল তার পরিচয় দাও। ২+ ৩ = ৫
৬. “মাধব দত্তের বড়ো বাড় হয়েছে দেখছি।” – বক্তার এরূপ মন্তব্যের কারণ কী? এর থেকে বক্তার মানসিকতার কী পরিচয় পাওয়া যায়? ৩+২ = ৫
অথবা, ‘শীঘ্রই যাতে রাজার চিঠি তোমাদের বাড়িতে আসে, আমি তার বন্দোবস্ত করছি।” বক্তা কোন্ পরিপ্রেক্ষিতে এ কথা বলেছেন? এখান কোন্ মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে? ২+৩=৫
অথবা, “ওহে মাধব দত্ত, আজকাল তোমাদের যে খুব বড়ো বড়ো লোকের সঙ্গে সম্বন্ধ!”- মন্তব্যটির অন্তর্নিহিত অর্থ ব্যাখ্যা করো। ৫
৭. ডাকঘর’ নাটক অনুসরণে দইওয়ালার গ্রামের পরিচয় দাও। ৫
৮. “না, ভুলব না। দেখো, মনে থাকবে।”- এই উক্তির আলোকে বক্তার চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আলোচনা করো। ৫
৯. ‘ডাকঘর’ নাটকের ঠাকুরদা চরিত্রটি সম্পর্কে আলোচনা কর।৫
১০. ‘ডাকঘর’ নাটকের মাধব দত্ত চরিত্রটি সম্পর্কে আলোচনা কর।৫
১১. সাংকেতিক নাটক হিসেবে ‘ডাকঘর’’ নাটকের সার্থকতা আলোচনা করো । ৫
১২. “সে ভারি আশ্চর্য জায়গা।”-কে, কখন এই জায়গার কথা উল্লেখ করেছেন। সেই জায়গার যে বর্ণনা বক্তা দিয়েছেন তা উল্লেখ করো । ২+৩= ৫
৫. অনধিক একশো পঞ্চশ শব্দে যে–কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। ৫x১=৫
বাঙালির চিত্রকলা :
৫.১ বাংলার চিত্রকলার ইতিহাসে অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান আলোচনা কর ।
৫.২ বাংলার চিত্রকলার ইতিহাসে যামিনী রায় এর অবদান আলোচনা কর ।
৫.৩ চিত্রকলাচর্চায় শিল্পাচার্য নন্দলাল বসুর স্থান নিরূপণ করো। ৫
৫.৪ বাংলার চিত্রকলার ইতিহাসে রামকিঙ্কর বেইজ – এর অবদান আলোচনা কর । ৫
বাঙালির চলচ্চিত্র :
৫.৫ বাংলা চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায়ের অবদান আলোচনা করো। ৫
৫.৬ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে ঋত্বিক ঘটকের অবদান আলোচনা করো। ৫
৫.৭ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে মৃণাল সেনের অবদান আলোচনা করো। ৫
৫.৮ বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তপন সিংহের অবদান আলোচনা করো। ৫
৫.৯ বাংলা তথ্যচিত্র সম্পর্কে সংক্ষেপে আলোচনা করো ।৫
৫.১০ বাংলা নির্বাক যুগের চলচ্চিত্রের বৈশিষ্ট্য আলোচনা কর। ৫
৬. নিম্নলিখিত যে–কোনো একটি বিষয় নির্বাচন করে, নির্দেশ অনুসারে কমবেশি ৪০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো।
৬.১ প্রদত্ত অনুচ্ছেদটিকে প্রস্তাবনা বা ভূমিকা স্বরূপ গ্রহণ করে বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করে, পরিণতিদানের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধ রচনা করো: ১০
৬.১.১ পরিবেশ ও বিপন্ন মানুষ
৬.১.২ লোকসংস্কৃতি অথবা সাহিত্যপাঠ
৬.১.৩ শান্তি ও ঐক্য অথবা তরুণের স্বপ্ন
৬.১.৪ দেশসেবা / স্বদেশপ্রেম
৬.১.৫ মানবতন্ত্র
৬.১.৬ সবার উপরে মানুষ সত্য
৬.২ প্রদত্ত সূত্র বা তথ্য অবলম্বনে একটি প্রবন্ধ রচনা করো: ১০
৬.২.১ সুকান্ত ভট্টাচার্য
৬.২.২ ঋত্বিক ঘটক
৬.২.৩ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
৬.২.৪ তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
৬.২.৫ জীবনানন্দ দাশ
৬.২.৬ মাইকেল মধুসূদন দত্ত
৬.২.৭ আশাপূর্ণা দেবী
৬.২.৮ মহাশ্বেতা দেবী
৬.২.৯ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
৬.২.১০ শক্তি চট্টোপাধ্যায়
সাজেশনটি PDF ডাউনলোড করার জন্য নীচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন
