বাংলা ছাত্রছাত্রীদের পাশে সারাক্ষণ

মডেল প্রশ্ন | Model Question | Topic-wise question Bank | উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা | H.S Bengali | Class -12 | Sem-4 | দ্বাদশ শ্রেণি | চতুর্থ সেমেস্টার

বাংলা মডেল প্রশ্ন 

Model Question & Topic-wise question Bank

উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা 

Class -12      Semester-4

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE) উচ্চ মাধ্যমিক চতুর্থ সেমেস্টার পরীক্ষার জন্য Model Question Papers এবং অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নগুচ্ছ প্রকাশ করেছে ।

Question Pattern    প্রশ্ন কাঠামো 

           সংসদ প্রদত্ত নমুনা প্রশ্ন ১

                   শ্রেণিদ্বাদশ

সময় ২ ঘণ্টা             পূর্ণমান৪০

 

. একশো পঞ্চাশ শব্দে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাওx=

১.১ ছোটোগল্প হিসেবে ‘হলুদ পোড়া’ গল্পটি কতদূর সার্থক তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো।       ৫

১.২ “নিজেকে বড়ো প্রয়োজনীয় মনে হল হঠাৎ।” কোন কথা শুনে গৌরবির নিজেকে বড়ো প্রয়োজনীয় মনে হয়েছিল? গৌরবীর এমন অনুভূতির কারণ বিশ্লেষণ করো।    ২+৩=৫

 

. অনধিক একশো পঞ্চশ শব্দে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও×=

২.১ ‘প্রার্থনা’ কবিতায় কবি কীভাবে ভারতবর্ষকে স্বর্গে জাগরিত করার কথা বলেছেন, তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো। ৫

২.২ ‘তিমিরহননের গান’ কবিতাটি কোন প্রেক্ষাপটে লেখা? কবি কেন ‘তিমিরবিলাসী’ নয়, ‘তিমিরবিনাশী’ হতে চেয়েছেন? ২+৩=৫

 

. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও×=

৩.১ “অভিনেতা মানে একটা চাকর-একটা জোকার, একটা ক্লাউন। লোকেরা সারাদিন খেটেখুটে এলে তাদের আনন্দ দেওয়াই হল নাটক-ওয়ালাদের একমাত্র কর্তব্য।”-বক্তার কথার তাৎপর্য আলোচনা করো। ৫

৩.২ ‘নানা রঙের দিন’ নাটক অবলম্বনে রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের  চরিত্র বিশ্লেষণ করো। ৫

 

. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাওx=১০

৪.১ কীভাবে রাজার চিঠি অমলের কাছে এসে পৌঁছোল ‘ডাকঘর’ নাটক অবলম্বনে তা নিজের ভাষায় বিশ্লেষণ করো। ৫

৪.২ ‘ডাকঘর’ নাটকে অমলকে কবিরাজ বাইরে বেরোতে নিষেধ করেছিলেন কেন? অমলের সঙ্গে ছেলের দলের কথোপকথন নিজের ভাষায় লেখো। ২+৩

৪.৩ ‘ডাকঘর’ নাটকে অমল চরিত্রটি তোমার কীরূপ লাগে তা নিজের ভাষায় বর্ণনা করো। ৫

৪.৪ ‘ডাকঘর’ নাটকের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। ৫

 

৫. অনধিক একশো পঞ্চশ শব্দে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও। ৫x১=৫

৫.১ চিত্রকলাচর্চায় শিল্পাচার্য নন্দলাল বসুর স্থান নিরূপণ করো। ৫

৫.২ বাংলা চলচ্চিত্রে সত্যজিৎ রায়ের অবদান আলোচনা করো। ৫

 

৬. নিম্নলিখিত যে-কোনো একটি বিষয় নির্বাচন করে, নির্দেশ অনুসারে কমবেশি ৪০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো।

৬.১ প্রদত্ত অনুচ্ছেদটিকে প্রস্তাবনা বা ভূমিকা স্বরূপ গ্রহণ করে বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করে, পরিণতিদানের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধ রচনা করো: ১০

          পরিবেশ ও বিপন্ন মানুষ

বিগত শতাব্দীর দুটি বিশ্বযুদ্ধে এবং সেইসলো শিল্পবিপ্লবের কল্যাণে মানবজীবনে নানা উন্নতি সত্ত্বেও আমাদের শাস্তি অনেকখানি বিঘ্নিত হয়েছে। তাই কবিকে আক্ষেপের সূরে বলতে হয়েছে ‘দাও ফিরে সে অরণ্য, লও হে নগর।’ স্বার্থের সংঘাত, লোভের অপরিমিত স্বভাব, ভ্রাতৃদ্বন্দ্ব, অনৈক্যের চোরাবালি, ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ ভারতের সমস্যাকে অনেকগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। যার জন্য দেখা দিয়েছে আয় ও সম্পদের দেশে বৈষম্য। এই বৈষম্যের ফলে দেখা দিয়েছে দারিদ্রা। দারিদ্র্য দ্বারা যেমন বিঘ্নিত হয়েছে ব্যক্তিগত স্বাস্থ্য, স্বাচ্ছন্দ্য, তেমনি নষ্ট হয়েছে বাস্তুতন্ত্র ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য। ফলে বর্তমানে যে পরিবেশের পরিবর্তন দেখা দিয়েছে, তাতে পৃথিবীর মানুষ বিপন্নতায় আক্রান্ত। তাই তার সুরক্ষার প্রয়োজনীয়তাও প্রকট হয়ে উঠেছে।

 

৬.২ প্রদত্ত সূত্র বা তথ্য অবলম্বনে একটি প্রবন্ধ রচনা করো: ১০

জন্ম: ৯ ডিসেম্বর, ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দ, বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর জেলার পায়রাবন্দ গ্রামে।

পিতা: জহিরুদ্দিন আবু আলি হায়দার সাবের।

মাতা: রাহাতুন্নেসা চৌধুরি।

সমসাময়িক সমাজ : পরদাপ্রথা প্রচলিত, খানদানি ফরাসি বা উর্দু ভাষা শেখা যাবে, বাংলা বা ইংরেজি নয়।

পারিবারিক বৃত্ত ও শিক্ষালাভ : রক্ষণশীল পরিবার, দিদি করিমুন্নেসা এবং দাদা ইব্রাহিম সাবেরের প্রেরণা ও সহযোগিতায় বাংলা ও ইংরেজি শিক্ষা । 

বিবাহ: ১৬ বছর বয়সে, পাত্র সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন। ওড়িশা কনিকা স্টেটের ম্যানেজার।

বিবাহিত জীবন: স্বামীর কাছে ইংরেজি শিক্ষা। লিখলেন ‘Sultana’s Dream, লেখিকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ।দুই কন্যা, ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে সাখাওয়াতের মৃত্যু।

সাহিত্যকৃতি: ‘পিপাসা’, ‘মতিচুর’, ‘পদ্মরাগ’, ‘অবরোধবাসিনী’।

উল্লেখযোগ্য কীর্তি: সাখাওয়াত মেমোরিয়াল গার্লস স্কুল (১৯১১ খ্রিস্টাব্দে), ‘নিখিলবঙ্গ মুসলিম মহিলা সমিতি’ বা ‘আঞ্জুমন-ই-খাওয়াতিনে ইসলাম’ (১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে)।

মৃত্যু: ৯ ডিসেম্বর ১৯৩২ খ্রিস্টাব্দের।

 

        সংসদ প্রদত্ত নমুনা প্রশ্ন ২

                বাংলা ‘ক’ ভাষা

সময়: ২ ঘন্টা             পূর্ণমান – ৪০

১. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও :- ৫x১=৫

১.১ ‘হলুদ পোড়া’ গল্প অবলম্বনে নবীন চক্রবর্তী সম্পর্কে কী জানতে পারো লেখো।

১.২ ‘হারুণ সালেমের মাসি’ গল্পে গৌরবির মধ্য দিয়ে চিরন্তন মাতৃসত্ত্বাকে লেখিকা যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন, তা বিশ্লেষণ করো।  ৩+২=৫

২. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও :- ৫x১=৫

২.১ “তবু/মধ্যবিত্তমদির জগতে আমরা বেদনাহীন”- ‘মধ্যবিত্তমদির জগতে’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? ‘বেদনাহীন’ শব্দটি কেন ব্যবহার করা হয়েছে? ২+৩=৫

২.২ “মৃত্যুর পাশ কাটিয়ে/বাবা এল”- ‘মৃত্যুর পাশ কাটিয়ে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? বাবা এলেন কীভাবে? ২+৩=৫

৩. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাওঃ- ৫x১=৫

৩.১ “শিল্পকে যে-মানুষ ভালোবেসেছে-তার বার্ধক্য নেই কালীনাথ, একাকীত্ব নেই, রোগ নেই”-‘নানা রঙের দিন’ নাটক অবলম্বনে মন্তব্যটির তাৎপর্য লেখ। ৫

৩.২ “কিন্তু কোনো সামাজিক সম্মান তুমি পাবে না”- কোন্ পরিস্থিতিতে এবং কেন বক্তার এমন উপলব্ধি হয়? ২+৩=৫

৪. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যেকোনো দুটি প্রশ্নের উত্তর দাও :-  ৫ x ২ = ১০

৪.১  ‘ডাকঘর’ নাটকের ঠাকুরদা চরিত্রটির স্বরূপ বিশ্লেষণ কর। ৫

৪.২ রূপক সাংকেতিক নাটক হিসেবে ‘ডাকঘর’ নাটকটি কতখানি সার্থক তা আলোচনা কর। ৫

৪.৩ “এখানে আমার আর সব বন্ধ কেবল এইটুকু খোলা।” – বক্তা কাকে, কোন প্রসঙ্গে একথা বলেছে? তাঁকে উদ্দেশ্য করে বক্তা নিজের কোন ইচ্ছের কথা জানিয়েছে? ২+৩ =৫

৪.৪ “শীঘ্রই যাতে রাজার চিঠি তোদের বাড়িতে আসে, আমি তার বন্দোবস্ত করছি।”— বক্তা কোন্ পরিপ্রেক্ষিতে একথা বলেছেন? এখানে তার কোন্ মনোভাবের প্রকাশ ঘটেছে? ২+৩ = ৫

৫. অনধিক একশো পঞ্চাশ শব্দে যেকোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও :-

৫. ১ বাঙালির চিত্রকলা-চর্চায় গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান আলোচনা করো।    ৫×১= ৫

৫.২  বাংলা চলচ্চিত্রে মৃণাল সেনের অবদান আলোচনা করো।

৬. নিম্নলিখিত যে-কোনো একটি বিষয় নির্বাচন করে নির্দেশ অনুসারে কমবেশি ৪০০ শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো :- ১০ x ১ = ১০

৬.১ প্রদত্ত অনুচ্ছেদটিকে প্রস্তাবনা বা ভূমিকা স্বরূপ গ্রহণ করে বিষয়ের গভীরে প্রবেশ করে, পরিণতিদানের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রবন্ধ রচনা করো :- ১০

     ভারত এক মিলনমেলা

পরকে আপন করিতে প্রতিভার প্রয়োজন। অন্যের মধ্যে প্রবেশ করিবার শক্তি এবং অন্যকে সম্পূর্ণ আপন করিয়া লইবার ইন্দ্রজাল, ইহাই প্রতিভার নিজস্ব। ভারতবর্ষের মধ্যে যে প্রতিভা আমরা দেখিতে পাই। ভারতবর্ষ অসংকোচে অন্যের মধ্যে প্রবেশ করিয়াছে এবং অনায়াসে অন্যের সামগ্রী নিজের করিয়া লইয়াছে। ভারতবর্ষ কিছুই ত্যাগ করে নাই।

৬.২ প্রদত্ত সূত্র ও তথ্য অবলম্বনে একটি প্রবন্ধ রচনা করো।

        ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

জন্মঃ ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৮২০ বীরসিংহ গ্রাম (তদানীন্তন পালি জেলা)।

মাতা-পিতা : ভগবতী দেবী, ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ।

শিক্ষাজীবন : পাঠশালা, পরে কলিকাতা রাষ্ট্রীয় সংস্কৃত মহাবিদ্যালয় থেকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ। সংস্কৃত ভাষাশ্রিত বিদ্যার পরে ইংরেজি ভাষাশ্রিত বিদ্যায় শিক্ষাগ্রহণ।

কর্মজীবন : সংস্কৃত কলেজ, কোর্ট উইলিয়াম কলেজ, কোর্ট উইলিয়ামে বাংলা ভাষার পণ্ডিত, সংস্কৃত কালেজে সাহিত্যের অধ্যাপক, পরে অধ্যক্ষ। ১৮৫৭-এর নভেম্বর থেকে অন্তত ৩৫টি স্কুল স্থাপন।

সমাজসংস্কারক : বাল্যবিবাহ ও বহুবিবাহ রোধ আন্দোলন। স্ত্রী শিক্ষার প্রসার ও বিধবা বিবাহ প্রচলন।

সাহিত্যকৃতিঃ বাংলা গদ্যের জনক। বর্ণপরিচয়, বোধোদয়, কথানালা আখ্যাননঞ্জরী প্রভৃতি গ্রন্থরচনার পাশাপাশি অনুবাদ গ্রন্থ – বেতাল পঞ্চবিংশতি, শকুন্তলা, সীতার বনবাস, ভ্রান্তিবিলাস ইত্যাদি।

মৃত্যুঃ ২৯ জুলাই, ১৮


মডেল প্রশ্ন দুটি ডাউনলোড করার জন্য নীচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন 
Scroll to Top