বাংলা ছাত্রছাত্রীদের পাশে সারাক্ষণ

অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নগুচ্ছ Topic-wise question Bank | উচ্চ মাধ্যমিক বাংলা | H.S Bengali | Class -12 | Sem-4 | দ্বাদশ শ্রেণি | চতুর্থ সেমেস্টার

Topic-wise question Bank  

অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নগুচ্ছ

      BENGALI -A 

       Class -XII 

      SEMESTER -4

পশ্চিমবঙ্গ উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ (WBCHSE) উচ্চ মাধ্যমিক চতুর্থ সেমেস্টার পরীক্ষার জন্য Model Question Papers এবং অধ্যায় ভিত্তিক প্রশ্নগুচ্ছ প্রকাশ করেছে ।

মডেল প্রশ্নের জন্য নীচে ক্লিক করুন

Model Question Papers - এখানে ক্লিক করুন 

        

           BENGALI-A

Class XII         Semester 4

   হারুন সালেমের মাসি - মহাশ্বেতা দেবী 

প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫

১. ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্পের নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। 

২. ছোটগল্প হিসাবে ‘হারুন সালেমের মাসি’ কতটা সার্থক তা দেখাও। ৫

৩. ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্পের গৌরবি চরিত্রটি আলোচনা করো। ৫

৪. ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্প অবলম্বনে হারা চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো। ৫

৫. ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্পে গৌরবির মধ্য দিয়ে চিরন্তন মাতৃসত্ত্বাকে লেখিকা যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন তা বিশ্লেষণ করো। ৫

৬. ‘হারুন সালেমের মাসি’ গল্পে সমাজের নিম্নবিত্ত পরিবার গুলিতে মহিলাদের জীবনযাপনের যে ছবি ফুটে উঠেছে তা নিজের ভাষায় লেখো। ৫

৭. “ঈশ্বরের জিনিস তো! শাকে-পাতায় দোষ নেই।”- এমন মন্তব্যের কারণ কী? ৫

৮. “ওঃ! ঘর তুলেছিল যেমন কোঠাবাড়ি— বলে মাটিতে থুতু ফেলেছিল”– তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ৫

অথবা, কারা, কখন মাটিতে থুতু ফেলেছিল? থুতু ফেলার কারণ কী?   ২+৩=৫ 

৯. “গৌরবি ওর নিড়িনি আর থলি খুঁজছিল”— ‘নিড়িনি আর ‘থলি’ শব্দ দুটির অর্থ কী? গৌরবি এ দুটি কেন খুঁজছিল? ২+৩=৫

১০. “যশিরা হাঁটে না, ছোটে।” এই মন্তব্যের আলোকে যদি চরিত্রটি সংক্ষেপে বিশ্লেষণ করো। ৫

১১. “এই তো স্বর্গ! তার স্বর্গ আর হারার মার স্বর্গ কি এক হতে পারে? নাকি সব গরিবের স্বর্গ আসলে এক?”- কোনটিকে স্বর্গ বলা হয়েছে? স্বর্গ সম্পর্কে গৌরবির এমন ভাবনার কারণ কী? ২+৩=৫

অথবা, “সব গরিবের স্বর্গ” এক হওয়ার তাৎপর্য কোথায় ?  ৫

১২. “শহরে গৌরবি আর হারার সমাজ অনেক বড়ো। সমুদ্রের মতো”— গৌরবি আর হারার সমাজের পরিচয় দাও। শহরে তা সমুদ্রের মতো কেন ? ২+৩=৫

 অথবা, মন্তব্যটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ৫

 

হলুদ পোড়া - মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় 

প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫ 

১. ‘গাঁ শুদ্ধ লোক যেন অপ্রস্তুত হয়ে রইল।’— কোন ঘটনার প্রেক্ষিতে গাঁ শুদ্ধ লোক অপ্রস্তুত হয়ে রইলো? ৫

২. ‘ছি, ওসব দুর্বুদ্ধি কোরো না নবীন।’— কে নবীনকে কোন দুর্বুদ্ধি থেকে বিরত করতে চেয়েছেন? এই উপদেশ থেকে বক্তার মানসিকতার কী পরিচয় পাওয়া যায়? ২+৩=৫

৩. ‘দাওয়াটি যেন স্টেজ’— কোন্ দাওয়ার কথা বলা হয়েছে? সেখানে যে ‘ম্যাজিক আমদানি করা হয়েছিলো তা নিজের ভাষায় লেখো। ২+৩=৫

৪. ‘কুঞ্জ অন্য একটি প্রক্রিয়ার আয়োজন করেছিল।’— কেন এই আয়োজন? প্রক্রিয়াটি কার্যকর করা সম্ভব হলো না কেন ? ২+৩=৫ 

৫. ‘দাঁড়া হারামজাদা, তোকে ফাঁসি কাঠে ঝুলোচ্ছি’— কে, কাকে একথা বলেছিলেন? এই হুমকির দৃশ্যপট অলোচনা করো। ২+৩=৫ 

৬. ‘মথুরবাবুর সামনে গিয়ে দাঁড়াতে লজ্জা হচ্ছে।’— বক্তার এমন মনোভাবের কারণ নিজের ভাষায় লেখো। ৫

৭. ‘হলুদ পোড়া’ গল্প অবলম্বনে শান্তি চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো। ৫ 

অথবা, অশরীরী আত্মার উপদ্রব থেকে পরিবারকে সুরক্ষা দিতে শান্তি কী কী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছিলো? ৫

৮. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত ‘হলুদ পোড়া’ গল্পটির নামকরণের সার্থকতা আলোচনা করো। ৫

৯. ‘দুটি খুনের মধ্যে সম্পর্ক আবিষ্কার করার জন্য প্রাণ সকলের ছটফট করে। …… একটুখানি বাস্তব সত্যের খাদ্যের অভাবে নানা জনের কল্পনা ও অনুমানগুলি গুজব হয়ে উঠতে উঠতে মুষড়ে যায় এই মন্তব্যটিতে সমাজ মানসিকতার যে পরিচয় ফুটে উঠেছে তা ‘হলুদপোড়া’ গল্প অবলম্বনে বিশ্লেষণ করো। ৫

১০. ‘হলুদ পোড়া’ গল্প অবলম্বনে ধীরেন চরিত্রটি বিশ্লেষণ করো।   ৫

১১. ‘বাঁশ পাততে হবে না।’— কে, কাকে বাঁশ পাতাতে নিষেধ করেছে? বাঁশ পাততে নিষেধ করার পিছনে বক্তার উদ্দেশ্য কী ছিল? ২+৩=৫

১২. ‘আমি বলাই চক্রবর্তী। শুভ্রাকে আমি খুন করেছি।’— বক্তব্যের পিছনে গ্রামীণ কুসংস্কারের আবর্তে ধীরেনের চরিত্রের বিবর্তন আলোচনা করো।   ৫

অথবা গ্রাম্য অন্ধসংস্কারগ্রস্ত সমাজব্যবস্থার মনস্তাত্ত্বিক বিকার মানুষকে কীভাবে গ্রাস করে তা ‘হলুদ পোড়া’ গল্প অবলম্বনে আলোচনা করো।  ৫

 

প্রার্থনা - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর 

 প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫ 

১.‘চিত্ত যেথা ভয়শূন্য, উচ্চ যেথা শির’,- প্রার্থনা কবিতায় কবির কাঙ্ক্ষিত স্বদেশের মানুষের ভয়শূন্য চিত্ত ও উচ্চ শির হওয়ার উপযোগিতা কী ? ৫

২. ‘জ্ঞান যেথা মুক্ত, যেথা গৃহের প্রাচীর,/আপন প্রাঙ্গনতলে দিবসশর্বরী/বসুধারে রাখে নাই খণ্ড ক্ষুদ্র করি,’– ‘মুক্ত জ্ঞান’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? কী কী কারণে বসুধা খণ্ড, ক্ষুদ্র হয়ে যায় ? ২+৩=৫

৩. ‘যেথা বাক্য হৃদয়ের উৎসমুখ হতে/উচ্ছ্বসিয়া ওঠে,’— উৎসসহ উক্তিটির তাৎপর্য ব্যাখ্যা করো। ৫

৪. ‘দেশে দেশে দিশে দিশে কর্মধারা ধায়/অজস্র সহস্রবিধ চরিতার্থতায়’— কবি কোন কর্মধারার কথা বলেছেন? কীভাবে সেই কর্মধারার বিস্তার ঘটতে পারে? ২+৩=৫

৫. ‘যেথা তুচ্ছ আচারের মরুবালুরাশি/বিচারের স্রোতঃপথ ফেলে নাই গ্রাসি’, তুচ্ছ আচার কীভাবে বিচারের স্রোতপথকে গ্রাস করে? তা থেকে কীভাবে মুক্তিলাভ সম্ভব? ২+৩=৫ 

৬. ‘নিত্য যেথা/তুমি সর্ব কর্ম চিন্তা আনন্দের নেতা’– নেতা বলতে কবি কাকে বুঝিয়েছেন? প্রার্থনা কবিতার আলোকে কবির ঈশ্বর ভাবনার পরিচয় দাও । ২+৩=৫  

৭. ‘নিজ হস্তে নির্দয় আঘাত করি, পিতঃ, / ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত।’– ‘পিতঃ’- বলতে কবি কাকে বুঝিয়েছেন? ‘পিতঃ’-কে কেন নির্দয় আঘাত করতে হবে? ২+৩=৫ 

৮. ‘ভারতেরে সেই স্বর্গে করো জাগরিত।’— কবি ভারতকে যেভাবে স্বর্গে জাগরিত করার কথা বলেছেন, তা নিজের ভাষায় লেখো। 

৯. ‘প্রার্থনা’- কবিতা অবলম্বনে কবির মানবকল্যাণ ভাবনার স্বরূপ আলোচনা করো।  

১০. ‘প্রার্থনা’ কবিতা অবলম্বনে কবির দেশাত্মবোধের পরিচয় আলোচনা করো। 

১১. তোমার পাঠ্য ‘প্রার্থনা’ কবিতাটির নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। 

১২. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘প্রার্থনা’ কবিতাটির বিষয়বস্তু আলোচনা করো। ৫ 

 

তিমির হননের গান - জীবনানন্দ দাশ

 প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫ 

১. ‘তিমির হননের গান’ কবিতায় সমাজ ও সভ্যতার যে অবক্ষয়ের চিত্ররূপ অঙ্কিত হয়েছে, তা কীভাবে কবির ব্যক্তিগত জীবনযন্ত্রণার সঙ্গে মিশ্রিত হয়ে যায়, তা আলোচনা করো। 

২. ‘তিমির হননের গান’ কবিতার নামকরণের সার্থকতা বিচার করো। 

৩. মানবজীবনের বেদনা ও আশার দ্বান্দ্বিক চিত্র ‘তিমির হননের গান’ কবিতাটিতে যেভাবে ফুটে উঠেছে, সেবিষয়ে আলোকপাত করো। 

৪. “তিমির হননে তবু অগ্রসর হ’য়ে/আমরা কি তিমির বিলাসী!”— কবির এইরূপ প্রশ্ন উত্থাপনের কারণ বিশ্লেষণ করো। 

৫. “কোনো হ্রদে/কোথাও নদীর ঢেউয়ে/কোনো এক সমুদ্রের জলে”— কী ঘটেছিল তার বিবরণ দাও। 

৬. “স্মরণীয় উত্তরাধিকারে কোনো গ্লানি নেই ভেবে”— ‘স্মরণীয় উত্তরাধিকার’ বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? গ্লানির প্রসঙ্গ এসেছে কেন? ২+৩=৫

৭. “সেই জের টেনে আজো খেলি।”— কবি কোন্ খেলার কথা বলেছেন? উদ্ধৃতিটির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও।  ২+৩=৫ 

৮. “নর্দমার থেকে শূন্য ওভারব্রিজে উঠে নর্দমায় নেমে– ” কবি এখানে কোন জীবনের পরিচয় দিয়েছেন? এই জীবনের এরূপ পরিণতির কারণ কী? ২+৩=৫

৯. “তবু/মধ্যবিত্তমদির জগতে আমরা বেদনাহীন”— ‘মধ্যবিত্তমদির জগতে’ বলতে কী বুঝিয়েছেন কবি? ‘বেদনাহীন’ শব্দটি কেন ব্যবহার করা হয়েছে? ২+৩=৫ 

১০. “জীবিত বা মৃত রমণীর মতো ভেবে”— উদ্ধৃত পঙক্তির তাৎপর্য বুঝিয়ে দাও। 

১১. ‘তিমিরহননের গান’ কবিতাটি কোন্ প্রেক্ষাপটে লেখা? কবি কেন ‘ তিমিরবিলাসী’ নন, ‘তিমিরবিলাসী’ হতে চেয়েছেন? ২+৩=৫

১২. “এরা সব এই পথে”— ‘এরা’ বলতে কারা? ‘এই পথে’ বলতে কোন্ পথ বোঝানো হয়েছে? ২+৩=৫

১৩. “ওরা সব ওই পথে – তবু”— ‘ওরা’ বলতে কারা? ‘তবু’ শব্দটি আনয়নের তাৎপর্য লেখ। ২+৩=৫

  

কেন এল না - সুভাষ মুখোপাধ্যায় 

প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫ 

১. ‘কেন এল না’– কবিতায় কবি যে ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন, তা নিজের ভাষায় আলোচনা করো ।  

২. ‘কেন এল না’– কবিতাটির নামটি কতদূর সার্থক তা আলোচনা করো। 

৩. কোন্ পটভূমিতে ‘কেন এল না’ কবিতাটি রচিত তা আলোচনা করো। 

৪. “কড়ার গায়ে খুন্তিটা/আজ একটু বেশি রকম নড়ছে”– কখন এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল? উদ্দিষ্ট ব্যক্তির মানসিক অবস্থার পরিচয় দাও । ২+৩=৫

৫. “যতক্ষণ পুজোর জামা কেনা না হচ্ছে/নড়বে না।”— প্রসঙ্গসহ উদ্ধৃতাংশের তাৎপর্য আলোচনা করো। ২+৩=৫ 

৬. “কিসের পুজো আজ”— পুজোর বর্ণনা দাও। প্রসঙ্গত বালকটির কৌতূহলের কারণ নির্দেশ করো। ২+৩=৫

৭. “মানুষটা এখনও কেন এল না?”— কখন, কার মনে এরূপ প্রশ্নের উদয় হয়েছিল? তার এরূপ আশঙ্কার কারণ কী? 

৮. “এখন রেডিয়োয় খবর বলছে।”— রেডিয়ো কী ধরনের খবর বলছে বলে তুমি মনে করো এবং তার প্রতিক্রিয়া কী হয়েছিল?’ ২+৩=৫ 

৯. “মৃত্যুর পাশ কাটিয়ে/বাবা এল”— ‘মৃত্যুর পাশ কাটিয়ে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? বাবা এলেন কীভাবে? ২+৩=৫ 

১০. “ছেলে এল না”— উদ্ধৃতিটির প্রসঙ্গসহ তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। ৫ 

১১. “ছেলেটা দেখে আসতে গেল”— ছেলেটা কী দেখে আসতে গিয়েছিল? তার পরিণাম কী হয়েছিল? 

১২. “হিজিবিজি অক্ষরগুলো একগুয়ে অবাধ্য /  যতক্ষণ পুজোর জামা কেনা না হচ্ছে নড়বে না।”— কবি একথা কেন বলেছেন? 

১৩. “সামনে ইতিহাসের পাতা খোলা”— ‘ইতিহাসের পাতা খোলা’ কথাটির তাৎপর্য লেখো। ইতিহাস বই পড়ায় ছেলেটির মন নেই কেন? 

 

নানা রঙের দিন - অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়

কমবেশি একশো পঞ্চাশ শব্দে নীচের প্রশ্নগুলির উত্তর দাও :- 

প্রতিটি প্রশ্নের মান ৫ 

১. “জানো কালীনাথ, একটা মেয়ে!” বক্তা কালীনাথকে এই মেয়েটির সম্পর্কে যে বর্ণনা দিয়েছিলেন, তার সংক্ষিপ্ত পরিচয় দাও। প্রসঙ্গতঃ বক্তার জীবনে মেয়েটি কী প্রভাব ফেলল, তা আলোচনা কর। 2+3=5 

২. “সেই রাত্রেই জীবনে প্রথম মোক্ষম বুঝলুম যে, যারা বলে ‘নাট্যাভিনয় একটি পবিত্র শিল্প’, তার সব গাধা-গাধা” বক্তা কখন কেন এ সিদ্ধান্তে পৌঁছেছিলেন, নিজের ভাষায় আলোচনা কর। – ৫ 

অথবা, “অভিনেতা মানে একটা চাকর- একটা জোকার, একটা ক্লাউন। লোকেরা সারাদিন খেটে খুটে এলে তাদের আনন্দ দেওয়াই হল নাটক ওয়ালাদের একমাত্র কর্তব্য।”— বক্তার একথার তাৎপর্য আলোচনা কর। ৫ 

অথবা, “সেইদিনই বুঝলুম পাবলিকের আসল চরিত্রটা কী!”— পাবলিকের আসল চরিত্র সম্পর্কে বক্তার উপলব্ধি নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা কর। ৫ 

অথবা, “এই পবিত্রতার নামাবলিটা সেদিন হঠাৎই ফাঁস হয়ে গেল আমার সামনে”– প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বক্তার এমন উক্তির কারণ লেখ। ২+৩=5 

অথবা, “কিন্তু কোন সামাজিক সম্মান তুমি পাবে না।”— কোন্ পরিস্থিতিতে এবং কেন বক্তার এমন উপলব্ধি হয় ? ২+৩=৫ 

৩. “প্রাক্তন অভিনেতা রজনী চাটুজ্যের প্রতিভার অপমৃত্যুর করুণ সংবাদ”— প্রতিভার অপমৃত্যুর করুণ সংবাদ”— অভিনেতার এই অপমৃত্যু কিভাবে ঘটে বলে বক্তা মনে করেন? 

৪. “হ্যাঁ কালীনাথ আমাদের দিন ফুরিয়েছে।” বক্তা কোন্ প্রসঙ্গে এই উক্তি করেছেন? বক্তার এই উপলব্ধির কারণ ব্যাখ্যা কর।  ২+৩=৫

অথবা, জীবনে ভোর নেই, সকাল নেই, দুপুর নেই, সন্ধ্যেও ফুরিয়েছে- এখন শুধু মাঝরাত্তিরের অপেক্ষা- এখানেই গল্প শেষ।”- এই উক্তির আলোকে বক্তার মনোভাব ব্যক্ত কর। ৫

অথবা, “বারোটা বেজে গেছে আমার, বারোটা বেজে পাঁচ”- উক্তিটির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বক্তার ‘বারোটা বেজে গেছে’ মনে করার কারণ অনুসন্ধান কর। ২+৩=৫

৫. “আমিও তো মানুষ কালীনাথ”- এই উক্তির আলোকে বক্তার নিঃসঙ্গতা ও হতাশাময় চিত্র পরিস্ফুট কর। ৫

৬. “শিল্পকে যে মানুষ ভালবেসেছে- তার বার্ধক্য নেই কালীনাথ, একাকীত্ব নেই, রোগ নেই”-‘নানারঙের দিন’ নাটক অবলম্বনে মন্তব্যটির তাৎপর্য লেখ। ৫

অথবা, “আমার প্রতিভা এখনো মরে নি,” ব্যাখ্যা কর। ৫

অথবা, “এই তো জীবনের সত্য কালীনাথ”- এখানে জীবনের কোন্ সত্য উদ্ভাসিত হয়েছে, তার পরিচয় দাও। ৫

৭. “নানা রঙের দিন” নাটক অবলম্বনে অভিনেতা রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের চরিত্র বিশ্লেষণ কর।

৮. “নানা রঙের দিন” নাটকটির সূচনায় মঞ্চসজ্জার যে বর্ণনা আছে তা নিজের ভাষায় লেখ। প্রসঙ্গতঃ নাটকটিতে নাট্যকারের সংলাপ রচনার দক্ষতা আলোচনা কর। ২+৩=৫

৯. নাট্যকার অজিতেশ বন্দ্যেপাধ্যায় তাঁর ‘নানা রঙের দিন’ নাটকে ঔরঙ্গজেবের চরিত্রটির সূত্রে রজনীকান্তের আত্মানুসন্ধানের বিষয়ে কিভাবে আলোকপাত করেছেন, তা লেখ। ৫

১০. ‘নানা রঙের দিন’ নাটকে রজনীকান্ত চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিজীবন ও অভিনয়জীবন- এই দুটি ভিন্ন সত্তার দ্বন্দ্ব প্রকাশিত হয়েছে, আলোচনা কর। ৫

১১. ‘নানা রঙের দিন’ নাটকটির নামকরণের সার্থকতা আলোচনা কর।

১২. “Farewell the tranquil mind! Farewell content”, এবং “Life’s but a walking shadow”-উক্তিদুটি কারা কোন্ প্রসঙ্গে মূল নাটকে উচ্চারণ করেছিলেন? পাঠ্য নাটকটিতে প্রসঙ্গগুলি অবতারণার কারণ ব্যাখ্যা কর।

                প্রবন্ধ রচনা

প্রদত্ত সূত্র ও তথ্য অবলম্বনে অনধিক চারশো শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো।  

বাদল সরকার (শতবর্ষ) জন্ম : ১৫ই জুলাই ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দে, কলকাতায় । 

প্রকৃত নাম : সুধীন্দ্রনাথ সরকার। পিতা : মহেন্দ্রলাল সরকার। 

শিক্ষাজীবন : কলকাতায় এবং বিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি লাভের পর প্রকৌশলী হিসেবে টাউন প্লানার হিসেবে কাজ। 

কর্মজীবন : ১৯৬৭ খ্রিস্টাব্দে ‘শতাব্দী’ নামে নিজের নাট্যগোষ্ঠী গঠন, ‘এবং ইন্দ্রজিত’ (১৯৬৩), ‘বহুদিনের পরে’, ‘সাঁজের সিরিয়াল’ প্রভৃতি নাটক নির্মাণ। গুরুত্বপূর্ণ নাটক : ‘মিছিলে’, ‘ভোম্বল সর্দার’, ‘ভগত সিং’, ‘গাও’, ‘গিনিপিগ’, ‘জুলিয়াস জিসার’, ‘ভূতের ভবিষ্যত’ ইত্যাদি। পুরস্কার ও স্বীকৃতি : পদ্মশ্রী (১৯৭২), সংগীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কার (১৯৬৭, সংগীত নাটক অ্যাকাডেমি ফেলোশিপ লাভ। 

মৃত্যু : ২০১১ খ্রিস্টাব্দের ১৩ মে। 

প্রদত্ত সূত্র ও তথ্য অবলম্বনে অনধিক চারশো শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো । 

মহাশ্বেতা দেবী (শতবর্ষ) 

জন্ম : ১৪ জানুয়ারী, ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ, ঢাকায়। পিতা : কবি মনীষ ঘটক (যুবনাশ্ব ) । 

মাতা : ধরিত্রী দেবী ছিলেন সাহিত্যপ্রেমী ও সমাজসেবী। 

শিক্ষা : প্রাথমিক শিক্ষা রাজশাহীর স্কুলে। তারপর ১৯৩৬ থেকে ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শান্তিনিকেতনে, রবীন্দ্রনাথের সান্নিধ্যে। ১৯৪২-এ বেলতলা বালিকা বিদ্যালয় থেকে ম্যাট্রিক পাস । পরবর্তীকালে ইংরাজী সাহিত্যে এম.এ.। 

বিবাহ : নাট্যবক্তিত্ব বিজন ভট্টাচার্যের সঙ্গে, ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে। 

সন্তান : একমাত্র সন্তান সাহিত্যিক নবারুণ ভট্টাচার্য। 

কর্মজীবন : পদ্মপুকুর ইন্সটিটিউশনে শিক্ষকতা, পোস্ট অ্যান্ড টেলিগ্রাফে আপার ডিভিশন ক্লার্ক, রমেশ মিত্র বালিকা বিদ্যালয় এবং জ্যোতিষ রায় কলেজে শিক্ষকতা । 

সাহিত্যিকৃতি : প্রচুর ছোটগল্প ও উপন্যাস। 

উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ :- ঝাঁসির রানি (প্রথম প্রকাশিত বই), অরণ্যের অধিকার, হাজার চুরাশির মা, বীরসা মুন্ডা, স্তন্যদায়িনী ও অন্যান্য গল্প ইত্যাদি। 

পুরস্কার লাভ : ম্যাগসেসাই, সাহিত্য আকাদেমী, জ্ঞানপীঠ পুরস্কার লাভ। দেশিকোত্তম ও পদ্মশ্রী উপাধি লাভ ৷ 

মৃত্যু : ২০১৬ খ্রিস্টাব্দের ২৮ জুলাই। 

প্রদত্ত সূত্র ও তথ্য অবলম্বনে অনধিক চারশো শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো । ১০

কন্যাশ্রী প্রকল্প প্রকল্পের উদ্দেশ্য :কন্যাভ্রুণ হত্যা রোধ; বাল্যবিবাহ বন্ধ, কিশোরীদের মাঝপথে লেখাপড়া ছেড়ে দেওয়ার প্রবণতা আটকানো, মেয়েদের স্বনির্ভর করা, সমাজে মেয়েদের শামিল করে সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষা করা । 

সূচনা : ২০১৩ সাল, অক্টোবর মাস । 

বৃত্তিলাভের শর্ত : পরিবারের বাৎসরিক আয় ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা বা তার চেয়ে কম, অনাথ বা প্রতিবন্ধী ছাত্রীদের ক্ষেত্রে আয়ের ঊর্দ্ধসীমা নেই। ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত অবিবাহিত থাকতে হবে। 

প্রকল্পের নিয়ম : এককালীন ২৫ হাজার টাকা (১৮ বছর বয়সে)। প্রকল্পের জন্য রাজ্য সরকারের খরচ : বছরে ৮৫০ কোটি টাকা। 

লক্ষ্য : অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত ছাত্রীদের অনুদান দেওয়া হবে। মেয়েদের স্কুলছুট রুখতে এবং উচ্চশিক্ষায় সাহায্য করতে এই প্রকল্প গুরুত্বপূর্ণ। 

উপসংহার : জনহিতকর প্রকল্প হিসেবে প্রশংসিত। বৃত্তির প্রাপ্য টাকা ছাত্রী পাচ্ছে কিনা সেই ব্যাপারে সরকারি নজরদারি, মেয়েদের অধিকার রক্ষার দিকে যথাযথ পদক্ষেপ জরুরী। 

প্রদত্ত সূত্র ও তথ্য অবলম্বনে অনধিক চারশো শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো। 

নারায়ণ দেবনাথ (শতবর্ষ) 

জন্ম : ২৫শে নভেম্বর, ১৯২৫, শিবপুর, হাওড়া। আদি নিবাস বাংলাদেশের বিক্রমপুর, ঢাকা।  

শিক্ষা : আর্ট কলেজে পাঁচবছরের ডিগ্রী লাভের জন্য লেখাপড়া শুরু করলেও তা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। 

কমিকস্ আবির্ভাব : দেব সাহিত্য কুটিরের সম্পাদন মন্ডলীর উৎসাহে কমিকস্ জগতে পদার্পন। 

সৃষ্ট বিখ্যাত কার্টুন/কমিক চরিত্র : ‘হাঁটা ভোদা, ‘বাঁটুল দি গ্রেট’, ‘নন্টে ফন্টে’, ‘ডানপিটে খাঁদু আর তার ক্যামিক্যাল দাদু’, ‘কৌশিক রায়’, ‘ম্যাজিসিয়ান পটলচাদ’, ‘পেটুক মাষ্টার বটুকলাল’, ‘শুটকী আর মুটকী’, ইত্যাদি। 

পুরস্কার সম্মাননা : ‘সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার (২০১৩), ‘বঙ্গবিভূষণ’ (২০১৩), পদ্মশ্রী (2022)। 

মৃত্যু : ১৮ই জানুয়ারী ২০২২, কলকাতা। 

প্রদত্ত সূত্র ও তথ্য অবলম্বনে অনধিক চারশো শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো । ১০ 

জীবনানন্দ দাশ 

জন্ম : ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দের ১৭ ফেব্রুয়ারী 

জন্মস্থান : বর্তমান বাংলাদেশের বরিশাল শহর 

বাবা : সত্যানন্দ দাশ । 

মা : কুসুমকুমারী দেবী। 

শিক্ষাজীবন : ১৯০৮ খ্রিস্টাব্দে ব্রজমোহন স্কুলে ভর্তি; ব্রজমোহন কলেজ, প্রেসিডেন্সি কলেজ, পরে কলিকাতা বিশ্ববিদ্যালয়। 

কর্মজীবন : সিটি কলেজ (১৯২২-১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ), বাগেরহাট কলেজ, রামযশ কলেজ, খড়গপুর কলেজ, বড়িশা কলেজ, হাওড়া গার্লস কলেজ (১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে আমৃত্যু)-এ অধ্যাপনা 

প্রথম মুদ্রিত কবিতা : ব্রহ্মবাদী পত্রিকায় ‘বর্ষ আবাহন’। 

প্রথম কাব্যগ্রন্থ : ‘ঝরাপালক’ (১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ)। 

অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ : ধূসর পান্ডুলিপি (১৯৩৬), বনলতা সেন (১৯৪২), মহাপৃথিবী (১৯৪৪), সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮), রূপসী বাংলা (১৯৫৭), বেলা-অবেলা কালবেলা (১৯৬১) ইত্যাদি। 

মৃত্যু : ১৯৫৪ খ্রিস্টাব্দের ২২ অক্টোবর, কলিকাতায় ট্রাম দুর্ঘটনায়। 

 প্রদত্ত সূত্র ও তথ্য অবলম্বনে অনধিক চারশো শব্দের মধ্যে একটি প্রবন্ধ রচনা করো । ১০ 

স্বামী বিবেকানন্দ 

জন্ম : ১৯৬৩ খ্রিস্টাব্দ, ১২ জানুয়ারী, কলকাতার সিমলে পাড়ায়। 

পিতা : বিখ্যাত আইনজীবি বিশ্বনাথ দত্ত । 

মাতা : ভুবনেশ্বরী দেবী। 

শিক্ষাজীবন : মেট্রোপলিটান স্কুল থেকে প্রবেশিকা পরীক্ষায় এবং স্কটিশ চার্চ কলেজ থেকে বি.এ. পরীক্ষায় উত্তীর্ণ। 

রামকৃষ্ণের সান্নিধ্য : দক্ষিণেশ্বরে রামকৃষ্ণের সান্নিধ্যে এসে তাঁর শিষ্যত্ব গ্রহণ। ১৮৮৬ খ্রিস্টাব্দে রামকৃষ্ণের দেহত্যাগের পর বরাহনগরে রামকৃষ্ণ মঠ স্থাপন। 

কর্মজীবন : ১৮৯৩ খ্রিস্টাব্দে শিকাগো ধর্মমহাসভায় যোগদানের জন্য আমেরিকা যাত্রা। ইংল্যান্ড ভ্রমণ, ১৮৯৭ খ্রিস্টাব্দে স্বদেশে প্রত্যাবর্তন। রামকৃষ্ণের ভক্ত ও শিষ্যদের নিয়ে ‘রামকৃষ্ণ মিশন প্রতিষ্ঠা’। 

উল্লেখযোগ্য রচনা : ‘পরিব্রাজক’, ‘প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য’, ‘বর্তমান ভারত’। 

মৃত্যু : ১৯০২ খ্রিস্টাব্দের ৪ জুলাই। 

বই আকারে পিডিএফ ডাউনলোড করার জন্য নীচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন
Scroll to Top